শিরোনাম

শিক্ষক বদলিতে নীতিমালার ধার ধারে না রায়পুরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস!

 প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন   |   ক্যাম্পাস

শিক্ষক বদলিতে নীতিমালার ধার ধারে না রায়পুরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা  অফিস!

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি বর্তমান 'সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা, ২০২৬' এবং প্রবর্তিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। স্বচ্ছতা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করা হয়।

বদলির আবেদনের জন্য একজন সহকারী শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষককে সংশ্লিষ্ট পদে চাকরিতে ন্যূনতম ২ বছর পূর্ণ করতে হবে।

সাধারণত প্রতি শিক্ষা বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে একই উপজেলা, আন্তঃউপজেলা, আন্তঃজেলা ও আন্তঃবিভাগ বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে বিশেষ প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে বছরের অন্য সময়ও বদলি করা হতে পারে।

একবার বদলি হওয়ার পর পরবর্তী ৩ বছর অতিক্রান্ত না হলে কোনো শিক্ষক পুনরায় বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।

 যে সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০ এর বেশি বা শিক্ষক সংখ্যা ৫ জন বা তার কম, সেসব বিদ্যালয় থেকে সাধারণভাবে শিক্ষক বদলি করা হয় না।

তবে শিক্ষক বদলিতে নীতিমালার ধার ধারেন না রায়পুরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা  অফিস।  গত ৯ মে , ২০২৬ ইং তারিখে মনসুরুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে আব্দুল্লাহচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন মুরাদ  হোসেন (সহকারী শিক্ষক)।  মনসুরুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  শিক্ষক  ছিলেন ৩ জন। 

এটা বদলি নীতিমালায় আছে কিনা জানতে নরসিংদী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিরঞ্জন কুমার রায়কে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। 

রায়পুরার ইউইও  সোহরাব হোসেন ভুইয়া বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি নরসিংদী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিরঞ্জন কুমার রায় এর সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। 

 রায়পুরার ইউএপিইও  হিসেবে কর্মরত  আছেন নুরে আলম,  মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান,  দিলররুবা ইয়াছমিন ,নজরুল ইসলাম, হাসিনা রহমান, অনিতা পাল।  ইউএপিইওরা বিষয়টি নিয়ে    নরসিংদী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিরঞ্জন কুমার রায় এর সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

মনসুরুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়  ও  আব্দুল্লাহচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা মুরাদ  হোসেন  এর বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।





ক্যাম্পাস এর আরও খবর: