১০ বছর কাজ করার পর হঠাৎ চাকরি হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে রবিনটেক্সের সাবেক এভিপি
রবিনটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান / ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরে পাঠানো একটি চিঠি সম্প্রতি আমাদের হাতে এসেছে। রবিনটেক্স গ্রুপের রূপগঞ্জ থানাধীন গাউছিয়া, ভুলতায় অবস্থিত গার্মেন্টসে কর্মরত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার মো: নুর আলম খান (আইডি কার্ড নং-০২৫৫৪০) । তিনি বিগত ০১/০৩/২০১৬ ইং যোগদান করেন। তার সর্বশেষ পদবী ছিল কোয়ালিটি শাখার এভি পি এবং মজুরী ছিল-৫৭,৭৫০ এবং মূল মজুরী ছিল-৩৬.৮৬৬/-টাকা। কর্মরত থাকা অবস্থায় বিগত ০৮/০৪/২০২৬ ইং তারিখে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ নুর আলম খানের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইস্তফা পত্রে স্বাক্ষর নেয় এবং বলে ছাটাই নোটিশ পেসহ অন্যান্য পাওনাদি পরিশোধ করা হইবে। কিন্তু রবিনটেক্স গ্রুপের ম্যানেজমেন্টের কথা আর কাজের মধ্যে কোনো মিল পাওয়া যায়নি। চাকুরী জীবনের সম্পূর্ন বেনিফিট না পাওয়ায় মো: নুর আলম খান পরিবার পরিজন নিয়া মানবেতর জীবন যাপন করতেছেন।
এ প্রসঙ্গে নুর আলম খান বলেন, আমি রবিনটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলাম এবং এই প্রতিষ্ঠানে আমি আমার সকল মেধা এবং যোগ্যতা দিয়ে কাজ করিয়াছি বর্তমানে চাকুরীর অবসান হওয়ায় এবং আমাকে আর চাকুরি করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমি দীর্ঘ ১০ বছর আপনার প্রতিষষ্ঠানে নিষ্ঠার সহিত কাজ করিয়াছি কিন্তু নোটিশ পে, সার্ভিস বেনিফিট এবং ৪০ দিনের অভোগকৃত অর্জিত ছুটির টাকা সহ অন্যান্য পাওনাদি পরিশোধ করা হয় নাই। শুধুমাত্র অল্পকিছু পাওনাদি দিয়া আমাকে বিদায় করা হইয়াছে।
নুর আলম খান এর মতে তার চাকুরী অবসানজনিত পাওনাদি নিম্নরূপঃ
ক) নোটিশ পে বাবদ এক মাসের মূল মজুরি বাবদ ৩৬,৮৬৬/-টাকা।
খ) ১০ বছর চাকুরীকালের জন্য সার্ভিস বেনিফিট বাবদ গ্রাচ্যুইটি হিসেবে ৫,৫২,৯৯০/-টাকা
গ) শ্রম আইনের ১১৭(৫) ধারা অনুযায়ী ৪০ দিনের অভোগকৃত অর্জিত ছুটি বাবদ প্রাপ্য ৭৭,০০০/-টাকা।
সর্বমোট ছয় লক্ষ ছিখন্ত্রি হাজার আটশত ছাপ্পান্ন টাকা (৬,৬৬,৮৫৬/-)
চিঠিটি হাতে আসার পর দৈনিক অর্থনীতির কাগজ এর পক্ষ থেকে রবিনটেক্স গ্রুপের সিইও আকতারুজ্জামন (০১৩১৬........৪৪) , এইচআর জিএম ইমরান হোসেন (০১৭৩১......১৪), ডিজিএম সাদেকুর রহমান (০১৭১০.....৮০) এর সাধে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি আন্তরিকতার সাথে এড়িয়ে যান।
একজন ডিরেক্টর ( ০১৭৫৫....৮০) এর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেন নি।
ডিজিএম সাদেকুর রহমান বলেন , এটা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। আপনি এইচআর এর সাথে কথা বলেন।
এইচআর জিএম ইমরান হোসেন বলেন, অভিযোগটি প্রফেশনাল ফোরামে উপস্থাপন করতে হবে।
রবিনটেক্স গ্রুপের সিইও আকতারুজ্জামন বলেন, আমি যতদুর শুনেছি এইচআর থেকে তার পাওনা মিটিয়ে দিয়েছে। তবে আপনি চাইলে এইচআর এর সাথে কথা বলেন।
