শিরোনাম

কাঁটাবন মার্কেটের পোষা প্রাণীদের কী হবে?

 প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন   |   জনদুর্ভোগ

কাঁটাবন মার্কেটের পোষা প্রাণীদের কী হবে?

জ্বালানি–সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য  দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যবিতান ও শপিং মল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি।  বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় জ্বালানি–সংকটের কারণে দেশের সব দোকান, বাণিজ্যবিতান এবং শপিং মল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।  বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এ সরকারকে সহযোগিতার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে হোটেল, ফার্মেসি এবং জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকান, কাঁচাবাজার এর আওতাবহির্ভূত থাকবে বলেও জানানো হয়।

জরুরি সেবা বাদে সব দোকান বন্ধের নির্দেশনা থাকায়  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কাঁটাবন মার্কেটের পোষা  প্রাণীগুলোর পরিচর্যা ও খাদ্য সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   দোকানগুলোতে বিদ্যমান জীবন্ত শোভাবর্ধক মাছ ও পশু-পাখিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নিয়মিত খাদ্য, পানি ও রোগ প্রতিরোধক টিকা ও ঔষধ সরবরাহ করতে হয়। পাশাপাশি পরিচর্যা এবং পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাও আবশ্যক। যাতে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পশু-পাখি বা মাছ মারা  না যায়। 

 বেচাকেনা শেষ করে বাড়তি পরিচর্যা ও আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে দোকানীরা প্রায়  রাত ১১টা পর্যন্ত কাজ করে থাকেন। পরবর্তী দিন সকাল ৯টায় আবার কাজ শুরু করেন। রাত ৮টায় বন্ধ করতে বাধ্য হলে পরবর্তী দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলে দীর্ঘসময়ে খাদ্য ও ভেন্টিলেশনের অভাবে পোষাপ্রানীগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন জানিয়েছেন অ্যাকুয়া এন্ড পেটস্ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।   প্রয়োজনে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আন্তরিক হয়ে তারা আগের মতই কাজ চালিয়ে যেতে বা  দোকান খোলা রাখার দাবি জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং শাহবাগ থানায় লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

জনদুর্ভোগ এর আরও খবর: