ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের লক্ষ্য পারিবারিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করা-মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
শামসুল কাদির মিছবাহ (সুনামগঞ্জ):
বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ছিল বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২১ দিনের মাথায় দেশের ১০টি প্রত্যন্ত এলাকায় ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের মূল লক্ষ্য হলো পারিবারিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করা। যাদের কাছে এই কার্ড থাকবে তারা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সহায়তা পাবেন। উপকারভোগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, পরিবারের নারীরাই ভালোভাবে জানেন সংসারের কোন খরচটি বেশি প্রয়োজন এবং তারাই সঠিকভাবে খরচ পরিচালনা করে সঞ্চয় করতে পারেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নারীদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সময় দেশে দীর্ঘদিন বিনিয়োগে বন্ধ্যাত্ব ছিল। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় না, আর কর্মসংস্থান না হলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে না, দারিদ্র্য বাড়ে। তাই আমরা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছি।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নাছির চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন, সিলেট বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সনজীব সরকারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।পাইলট প্রকল্প হিসেবে সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলার মধ্যে দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আকিল শাহ, রাধানগর ও উত্তর সূরিয়ারপাড় গ্রাম নির্বাচন করা হয়। পরবর্তীতে পিএমটি স্কোরের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করে প্রাথমিকভাবে ৬৯৭টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।
