ঘুষ দুর্নীতি অবৈধ সম্পদ অর্জন অভিযোগের পাহাড় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে ফ্যাসিবাদ সরকারের টানা দশ বছর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন মোল্লা নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ।
জানা গেছে, মোঃ আলমগীর হোসেন মোল্লা নানা দুর্নীতি অনিয়ম করে কামিয়েছেন হাজার কোটি টাকা। আলমগীর হোসেন মোল্লার মতের বাহিরে গিয়ে চেয়ারম্যান অফিস চালাতে পারতেন না, উপর মহল থেকে খাওয়াতেন দমক অথবা বদলী হয়ে চলে যেতে হতো। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অঘোষিত চেয়ারম্যান বলা হতো তাকে। তিনি সব সময় দুই তিনটা চেয়ারের দায়িত্ব একা পালন করতেন। করোনাকালীন সময় তিনি চার জায়গায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।
আলমগীর হোসেন মোল্লার কব্জায় ছিলো মন্ত্রী ,সচিব ও শেখ পরিবার সহ সকল অধিপত্য। মিরপুর স্বপ্ননগর প্রকল্পের কাজ কে পাবেন তিনি সিদ্ধান্ত দিতেন ।
মোঃ আমির হোসেন আমু, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমসহ আরো অনেককে বানিজ্যিক প্লট বাগিয়ে দিয়েছিলেন আলমগীর মোল্লা। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে তৎকালীন চেয়ারম্যানকে বুঝিয়ে নিলাম ছাড়া তিনি বানিজ্যিক প্লট পাইয়ে দিয়েছিলেন।
এজন্য ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যতম দোসর আলমগীর মোল্লা তাদের অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে উঠেন। এভাবে মিরপুর সপ্ননগর-১ ও মোহাম্মদপুর শত শত কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিয়েছেন।
চেয়ারম্যানকে সকল পাসেন্টস্ তিনি বুঝিয়ে দিতেন। মিরপুর ঝিলপাড় ইলিয়াস মোল্লার বস্তি সাংবাদিকদের দেওয়া জায়গা ইলিয়াস মোল্লা কে দিয়ে তিনি দখল করিয়ে রেখেছেন, ওখানে ইলিয়াস মোল্লার সাথে মিলে মাদকের সামাজ্য করে কোটি কোটি কামিয়েছেন। রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও দিনাজপুর হাউজিং চলতো আলমগীর মোল্লার ইশরায় তিনি যা বলতেন ওটাই আইন।
আলমগীর মোল্লা আবাসিক প্লট বানিজ্যিক প্লট রুপান্তর করে ও বানিজ্যিক প্লট কে শিল্প প্লট এ রুপান্তর করে কোটি কোটি কামিয়েছেন। পাঁচ আগষ্টের পর ভোল পাল্টিয়ে ফেলছে।
সাম্প্রতিক সময় সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা থেকে একটি প্লটের বিনিময়ে মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহনের কারনে তার সাম্রাজ্য ভেঙ্গে যায়। মন্ত্রণালয় অভিযোগ দিয়ে ওই সেনা কর্মকর্তা তাকে রাজশাহী হাউজিং বদলী করা হয়। ছাত্র ও জনতা গনহত্যার রক্তের দাগ তার হাতে লেগে আছে, জুলাইয়ের নির্মম গণহত্যায় আলমগীর মোল্লা বিপুল পরিমান নগদ অর্থ যোগান দিয়েছিলেন।
জাতীয় গৃহান কর্তৃপক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন একজন স্বৈরাচারের দোসর হয়েও তিনি কিভাবে এখনো পদে বহাল আছেন দ্রুত থাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত।
এই বিষয়ে জানতে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন মোল্লার ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
