শিরোনাম

ঘুষ দুর্নীতির টাকায় রাজউকের কম্পিউটার অপারেটর আবু তাহেরের বিপুল সম্পদের মালিক

 প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন   |   অপরাধ

ঘুষ দুর্নীতির টাকায় রাজউকের কম্পিউটার অপারেটর আবু তাহেরের বিপুল সম্পদের মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক  : 

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) স্বর্ণের খনি, অধিকাংশ কর্মচারী কর্মকর্তারা ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শূন্য থেকে হয়ে গেছেন শত শত কোটি টাকার মালিক, ঝাড়ুদার পিয়ন অফিস সহকারী সহ অধিকাংশ কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে আছে একাধিক অভিযোগ কিন্তু দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা অবৈধ অর্থের প্রভাবে সবকিছু ম্যানেজ করে অদৃশ্য করে দেন, রাজউকের উত্তরা শাখার নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর আবু তাহের এর বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ।

আবু তাহের সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার গান্দাইল ইউনিয়নের গান্দাইল উত্তরপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক মকবুল হোসেনের বড় ছেলে, আবু তাহের ১৯৯৮ সালে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে রাজউকের চাকরিতে যোগদান করেন এরপরে পদোন্নতি পান চাকরি বহাল হয় সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে এরপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বাবার ভাঙ্গা টিনের ঘর ভেঙে নির্মাণ করেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি, চালচলনে হয়েছে পরিবর্তন ঘুষ দুর্নীতি করে বনে যান রাজউকের উত্তরা শাখার অঘোষিত সম্রাট।

এ যেন হাতে পেয়ে গেছেন আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ স্বল্প সময়ই হয়ে গেছেন কোটিপতি, অবৈধ অর্থে ক্রয় করেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ সিরাজগঞ্জের পৌর শহরে মাসুমপুরে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ করেছেন একটি ছয় তলা বাড়ি, গ্রামের বাড়ি গান্দাইলে ক্রয় করেছেন বিপুল পরিমাণ জমি পরিবারের সদস্যদের নামে, রাজধানী ঢাকার উত্তরা বনশ্রী রামপুরা সাভারসহ বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে একাধিক প্লট ফ্লাট, চলা চলার জন্য রয়েছে একাধিক দামি গাড়ি তবে সেই গাড়ির মালিকানা রেখেছেন অন্যের নামে, সিরাজগঞ্জ শহরের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন অবৈধ অর্থের গরমে তিনি বিয়ে করেছেন তিনটি তবে তিন বউকে আলাদা আলাদা বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছেন, গ্রামে তেমন একটা আসেন না অথচ তিনি সর্বসাকুল্যে বেতন পান ২৫ থেকে ২৬ হাজার টাকা বৈধ আয় এ কখনোই এত সম্পদ করার সম্ভব না, পরিধান করেন দামি দামি কাপড়-চোপড় দেখলেই মনে হবে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর কোন শিল্পপতি, সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ও নিজ জন্মস্থান কাজিপুর গান্দাইলে দানবীর হিসাবে ব্যাপক সুনাম রয়েছে গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেন। 

উত্তরা রাজউকের বেশ কয়েকজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করে বলেন উনি এইখানকার অঘোষিত সম্রাট অনেক কর্মকর্তা কে নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি সবকিছু তার হাতের মুঠোয় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা হয়েছিল কিন্তু কখনোই তা কার্যকর হয়নি অদৃশ্যভাবে সবকিছু ধামাচাপা দিয়ে দেন। 

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আবু তাহের তার স্ত্রী বুলবুলি খাতুন, মকবুল হোসেন, মোসাম্মৎ আম্বিয়া খাতুন, ও ছেলে তামিম আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দপ্তরের চিঠি দেওয়া হয়েছে তাদের সম্পত্তির তথ্য চেয়ে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবু তাহের এর ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অপরাধ এর আরও খবর: