শিরোনাম

সদরঘাটে তরমুজের পাহাড়: বাম্পার ফলনেও বাজারে স্বস্তি নেই, সিন্ডিকেটের কবলে সাধারণ ক্রেতা

 প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন   |   মহানগর

সদরঘাটে তরমুজের পাহাড়: বাম্পার ফলনেও বাজারে স্বস্তি নেই, সিন্ডিকেটের কবলে সাধারণ ক্রেতা


​মাহফুজার রহমান :

 রাজধানীর প্রধান নৌ-বন্দর সদরঘাটে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। দক্ষিণবঙ্গ থেকে বড় বড় ট্রলার এবং বালগেট বোঝাই করে প্রতিদিন আসছে বিপুল পরিমাণ তরমুজ। এ বছর দক্ষিণাঞ্চলে তরমুজের বাম্পার ফলন হলেও এর সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ ক্রেতারা। আড়তগুলোতে তরমুজের স্তূপ থাকলেও খুচরা বাজারে দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

​সরবরাহ পর্যাপ্ত, তবুও আকাশচুম্বী দাম : ​সরেজমিনে দৈনিক অর্থনীতির কাগজ সদরঘাট ও সংলগ্ন ফলের আড়তগুলোতে গিয়ে দেখতে পায়, সারি সারি ট্রলার থেকে নামানো হচ্ছে শত শত টন তরমুজ। ভোলা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা থেকে আসা এসব তরমুজ আকারে বড় এবং মানেও বেশ ভালো। অথচ রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মিরপুর বা রামপুরার মতো খুচরা বাজারে প্রতিটি বড় সাইজের তরমুজ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমার কথা থাকলেও এবার চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো।

​চাষিদের আক্ষেপ ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপট : ​মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের কাছ থেকে জানা গেছে, তারা অনেক সময় নায্য মূল্য পাচ্ছেন না। কিন্তু সেই তরমুজই যখন ট্রলার থেকে সদরঘাটে নামছে, তখন কয়েক হাত বদল হতেই দাম বেড়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ ক্রেতা অভিযোগ করে  বলেন দৈনিক অর্থনীতির কাগজের কাছে  , আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণেই সরবরাহ বেশি থাকা সত্ত্বেও দাম কমছে না।

​সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি : ​সদরঘাটে তরমুজ কিনতে আসা এক ক্রেতা আক্ষেপ করে দৈনিক অর্থনীতির কাগজকে বলেন,

​"শুনেছি এবার তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে, ঘাটে এসে দেখছি ট্রলার ট্রলার তরমুজ নামছে। কিন্তু বিক্রেতারা দাম ছাড়ছে না। সাধারণ মানুষের জন্য ফল খাওয়া এখন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

​বাজার বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনের কঠোর মনিটরিং এবং সরবরাহ চেইনে স্বচ্ছতা না থাকলে বাম্পার ফলনের সুবিধা কৃষকরাও পাবেন না, ক্রেতারাও না।

মহানগর এর আরও খবর: