শিরোনাম

জাতীয় নির্বাচনে খাগড়াছড়ির প্রেক্ষপট, সংসদীয় আসন জয়ে মরিয়া প্রার্থীরা

 প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৫৮ অপরাহ্ন   |   জেলার খবর

জাতীয় নির্বাচনে খাগড়াছড়ির প্রেক্ষপট, সংসদীয় আসন জয়ে মরিয়া প্রার্থীরা

   

মোঃ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া আসাদ (খাগড়াছড়ি ) :  নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং আসনে। এরই মধ্যে সবুজ পাহাড়ে রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে ভোটে জয়ের প্রতিযোগিতা চলছে প্রতিনিয়তই। সমতলের চাইতে পাহাড়ের রাজনৈতিক সমীকরণ ও বিভিন্ন ভাষাভাষির মানুষের বসবাস হওয়ায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভিন্নতার কারনে জয়ের লক্ষে সব দলগুলো হাটছে নিজেদের কৌশলী পথ ধরে। যার ফলে জয়-পরাজয়ের গোলক ধাধায় এমপি প্রার্থীরা।  


অপরূপ সুন্দর্য্যে ঘেরা খাগড়াছড়িতে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ), পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, গণঅধিবার পরিষদ, এনসিপিসহ রয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কার্যক্রম। নির্বাচন মুখী এসব দলগুলো নিজেদের সক্ষমতা ও দলের সাংগঠনিক অবস্থার জানান দিতে কারো চেয়ে কেউ পিঁছিয়ে নেই। যদিও বা ভোটের মাঠে জয়-পরাজয় নিশ্চিত করবেন স্থানীয় ভোটাররা।  


এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ১০ জন। তারা হচ্ছে-বিএনপির প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ জাতায়াতে ইসলামী’র প্রার্থী মো: এয়াকুব আলী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র মনজিলা সুলতানা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো: কাউসার, ইনসানিয়াত  বিপ্লব বাংলাদেশ মো: নুর ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী- সমীরণ দেওয়ান, সন্তোষিত চাকমা, লাব্রিচাই মারমা, ধর্ম জ্যোতি চাকমা, সোনা রতন চাকমা। 


জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষপট ফলে পাহাড়েও বদলে গেছে নানা হিসাব-নিকাশ। শান্তি আর স্বস্থির লক্ষে নিজের পছন্দের গুরুত্বপূর্ণ ভোট দিতে হিসেব কসছে ভোটাররা। পাহাড়ের ভোটাররা বলছে কোন প্রতিহিংসা বা উত্তপ্ত পরিস্থিতি নয়, পরিবার-পরিজয় নিয়ে শান্তিতে বসবাস করার মত নিরাপদ দেশের নেতৃত্ব দেয়া রাজনৈতিক দল চায় পাহাড়ের শান্তি প্রিয় মানুষ।  


পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশাল পাহাড়ি এলাকার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে একটি খাগড়াছড়ি। এরই মধ্যে এখানে দেশের বৃহত্ত জাতীয় রাজনৈতিক দল বিএনপি এই ২৯৮ নং আসনে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। 


এখানে জামায়াতে ইসলামী,  এনসিপি ছাড়াও কয়েকটি দল নির্বাচনের ব্যাপারে সরব, তারা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নীরবে। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীও বেশ কৌশলী এবং শক্তিশালী। কারন পাহাড়ি ভোটার। স্থানীয় আঞ্চলিক দল ও আঞ্চলিকতার প্রশ্নে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোটের বাক্সে বেশ একাট্টা স্থানীয় ভোটাররা। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি-জেএসএস (এমএন লারমা), ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ নির্বাচনের ব্যাপারে আগে নীরব থাকলেও গত সপ্তাহে তারা ভোটে অংশগ্রহণের বিষয়টি অনেকটা সরব হয়ে উঠছে। 


পাহাড়ের আরেক শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন জেএসএস-এমএন লারমা সরাসরি ভোটে না এলেও পছন্দের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়ার কথা বলছে। ফলে জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য খাগড়াছড়িতে জয়ে আশার বাতিঘরে কিছুটা হতাশাও বেশ প্রকাশ্যে এখন। এছাড়াও প্রার্থীর যোগ্যতা, ভোটারদের বিগত দিনের বিশ্লেষন এবং হিসেব-নিকেশে জয়ে পদে পদে বাঁধার সম্মুখীন হতে পারে জয়ের আশাবাদী দলগুলোর জন্য।  


আঞ্চলিক দলগুলো নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার আগ পর্যন্ত পাহাড়ের ভোটের যে সমীকরণ ছিল; এখন সেটা পাল্টে গেছে। কারণ আঞ্চলিক দলগুলো নির্বাচনে না এলে ভোটের মাঠ অনেকটা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দখলেই থাকত। কিন্তু জেএসএস ও ইউপিডিএফের নির্বাচনে থাকার ঘোষণা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন মাত্রা দিয়েছে। পাহাড়ের বিগত দিনে আওয়ামী লীগ, বিএনপির বাইরে জেএসএসের জয়ের ইতিহাস আছে। আর ইউপিডিএফ অতীতের মত এখনো ভোটের মাঠে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে সক্ষম শক্ত অবস্থান থেকে। যদিও নীরব তারা। 


তিন পার্বত্য আসনে আগামী নির্বাচন সরল-দ্বিমুখী লড়াইয়ের বদলে কোথাও কোথাও কঠিন-ত্রিমুখী লড়াইয়ে পরিণত হতে পারে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বিএনপি। যদিও আওয়ামী লীগহীন এই নির্বাচনে বিএনপি সারাদেশেই বড় জয়ের আশা করছে। কিন্তু আওয়ামীলীগ সমর্থিত ভোটারদের ভোট কোন বাক্সে যাচ্ছে তাও দেখার পালা এবার। 


চলতি বছরের ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১২ থেকে ২৯ ডিসেম্বর, বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। তার তিন সপ্তাহ পর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ভোটগ্রহণ। 


তফসিল ঘোষণার ঠিক পরদিন ১২ ডিসেম্বর ভোটে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেয় ইউইপডিএফ। সংগঠনের সভাপতি প্রসিত বিকাশ খীসা এক বিবৃতিতে বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে ইউপিডিএফ ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং একইভাবে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নেবে।”


দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে খাগড়াছড়িতে সক্রিয়তা বেঁড়েছে বিএনপি, জামায়াতের। তবে বসে নেই স্বতন্ত্র ও পাহাড়ের আঞ্চলিক দলগুলোও। কোন কোন দল আবার নীরবে নির্বাচনী জয়ের কৌশলে সরব থাকলেও নীরবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তারা। 


বিএনপির একক প্রার্থী ওয়াদুদ ভূঁইয়া মন্তব্য করে তার বিকল্প নেই বলে জানিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এমএন আবছার। উৎসব মুখোর পরিবেশ বিএনপি জনগণের দোরগোরাই ভোট চেয়ে ব্যাপক গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। বিলি করেছেন প্রচারপত্রও। 


বিএনপির সাথে স্বতন্ত্র এবং জামায়াত প্রার্থী এবং পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন নির্বাচনে কৌশলী প্রার্থী দেয়ার ব্যাপারেও। তাই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আশঙ্কায় ভোটারদের। সম্প্রতি পাহাড়ি-বাঙ্গালী এবারের নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করে স্থানীয়রা বলছেন পাহাড়ের রাজনীতি সমতলের তুলনায় আলাদা। এখানে পাহাড়ি ভোটাররা সব সময় একাট্টা ভোটের বিষয়ে। তাই বাঙ্গালী একাধিক প্রার্থী হওয়ায় ভোটের ফলাফল কোন দিকে যাচ্ছে তা অনুমান করা অনেকটা মেঘলা আকাশে চাঁদ দেখার মত বলে মন্তব্য করেন ভোটার শান্তা। 


এদিকে ২০০৮ সালে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সমীরণ দেওয়ান স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় রাজনীতিতে ভিন্ন এক মেরুকরণের দিকে এগুচ্ছে। এখানে জাতিগত ভোট, পুরাতন ভোটার আর আঞ্চলিকতার প্রশ্নে কি ঘটতে যাচ্ছে সেই প্রশ্ন সবার মনে উকি দিচ্ছে। তবে নির্বাচনের বিষয়ে সমীরণ দেওয়ার পক্ষ থেকে তেমন কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।  


এদিকে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকা শান্তি ও ইনসাফের বার্তা নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী নীরবে জনসেবামুলক কার্যক্রম নিয়ে এগুচ্ছে। চাঁদাবাজি, মামলা, হয়রানী, জুলুম, নির্যাতনের বিপরীতে অবস্থানে থেকে ন্যায়ের পথে ভোট চাইছেন ভোটারদের।


২০২৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী খাগড়াছড়ি আসনে জামায়াত এর পক্ষ থেকে অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরীর নাম ঘোষণা করেন। অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে শাসক নয়, সেবক হতে চায়। জনগণ জামায়াতকে জয় যুক্ত করলে রাষ্ট্রের মানুষের অধিকার, ন্যায় বিচার এবং ইনসাফের রাষ্ট্র গঠনে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে কাজ করবেন। 


একই সাথে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, মেডিকেল কলেজ স্থাপনসহ ভিন্ন ধর্মের মানুষের কৃষ্টি কালচার সংরক্ষণে কাজ করাসহ দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলে পাহাড়ের মানুষকে আত্ম নির্ভরশীল করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। 


এদিকে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর মধ্যে ভোটে প্রাপ্তিতে শক্তিশালী আঞ্চলিক দল ইউনাটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিড ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) নিজ সম্প্রদায়ের (পাহাড়ি) ভোটারদের জোরালো সমর্থনে একাট্টা থাকায় নীরবে মাঠ গোছাচ্ছে তারাও। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা প্রসীত বিকাশ খীসা, সংগঠক মাইকেল চাকমা, সংগঠনটির নেতা নতুন কুমার চাকমা, সচিব চাকমার নাম শুনা যাচ্ছে। 


পাহাড়ে বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সরব ইউপিডিএফ নীরবে খাগড়াছড়িতে নিজেদের শক্ত অবস্থান করে নেয়ায় ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পাহাড়ি ভোটারদের ভোট ব্যাংকে অন্য প্রার্থীদের হানা দেয়াটা বেশ কষ্টেরই নয়, অসম্ভব বলে মত দেন একাধিক পাহাড়ি ভোটাররা। 


বর্তমানে নির্বাচনী পরিবেশ নেই মন্তব্য করে ইউপিডিএফ নির্বাচনী মূখী জনবান্ধব সংগঠন বলে মন্তব্য করে ইউপিডিএফ এর মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, খাগড়াছড়িতে এখনো পুরোপুরি সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়নি। প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি সংগঠনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে এবং সময় বলে দিবে কে প্রার্থী হচ্ছেন। 


পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা সমর্থিক জেএসএস) এর পক্ষ থেকে জয়ে ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ার বিষয়টি বেশ আলোচনা রয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এমনি জানানো হয়েছে এরই মধ্যে। 


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক মাওলানা কাউসার আজিজীকে প্রার্থী চুড়ান্ত করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি আসনে সংগঠনের পক্ষ থেকে নিজেকে প্রার্থী চুড়ান্ত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটারদের অধিকার আদায় ও ন্যায় বিচারসহ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নির্বাচনে তিনি প্রস্তুত আছেন।  


একই ভাবে এনসিপির পক্ষ থেকে কোন দলীয় প্রার্থী ঘোষণা না করলেও আলোচনায় রয়েছে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য ও এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণ অঞ্চল দায়িত্বপ্রাপ্ত) মনজিলা ঝুমার নাম। তিনি জানান, সংগঠনকে শক্তিশালী ও সাংগঠনিক গতিশীলতায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জনগণের আস্থা, ভরসা ও যে লক্ষ নিয়ে দেশ নতুন করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে সে লক্ষ পুরনে কাজ করার কথা জানান তিনি। এ সময় তিনি কেন্দ্র চাইলে খাগড়াছড়ি আসনে প্রার্থী হতে প্রস্তুত আছেন বলেও জানান।  


খাগড়াছড়ির সাধারন ভোটাররা চায় শান্তিপূর্ণ বসবাস, নিরাপত্তা, অনিয়ম-দুর্নীতি ও চাঁদাবাজ মুক্ত রাষ্ট্রিয় ও সমাজ ব্যাবস্থা। যেখানে নিজেদের মৌলিক অধিকারের বাস্তবায়নসহ যোগ্য প্রার্থীকে বাছাই করে ভোটের মাধ্যমে এমপি নির্বাচিত করতে চান বলে জানান পার্বত্য এ জনপদের মানুষগুলো।  


খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, ৩ পৌরসভা, ৯ উপজেলা ও ৩৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ২৯৮নং খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে সাত লাখ ১১ হাজারের বেশি জনসংখ্যার এই জেলায় মোট ভোটার পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮৮ জন এবার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৭৬ হাজার ১৩ জন এবং নারী ভোটার দুই লাখ ৬৯ হাজার ১১ জন। খাগড়াছড়ি জেলায় ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৯৬ টি বলে নির্বাচন অফিস সূত্র নিশ্চিত করেছে।

  


জেলার খবর এর আরও খবর: