বিদ্রোহী কণ্ঠে আশরাফ চৌধুরীর অনন্য কাব্যগ্রন্থ “চন্দ্রালি”
মানবমনের গভীর অনুভূতি, প্রেমের আলোকিত মুহূর্ত, প্রার্থনার নীরবতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী কণ্ঠে লেখা এক অনন্য কাব্যগ্রন্থ — “চন্দ্রালি” । প্রেম, ভালোবাসা, প্রার্থনা ও বিদ্রোহ—এই চারটি অনুভূতির গভীর মেলবন্ধনে নির্মিত কবি আশরাফ চৌধুরীর নতুন কাব্যগ্রন্থ “চন্দ্রালি”সমকালীন বাংলা কবিতার ভুবনে এক অনন্য সংযোজন। বইটির কবিতাগুলোতে যেমন আছে হৃদয়ের অন্তর্গত কোমল অনুভূতির স্নিগ্ধতা, তেমনি আছে সময়ের বিরুদ্ধে উচ্চারিত প্রতিবাদের দৃঢ় স্বর।
“চন্দ্রালি” মূলত মানুষের অন্তর্জগতের নানা রঙের প্রতিফলন। প্রেম এখানে শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়, বরং মানবিকতার এক বিস্তৃত পরিসর। কবি কখনো প্রিয় মানুষের চোখে খুঁজে পান চাঁদের আলো, আবার কখনো প্রার্থনার নীরবতায় আবিষ্কার করেন আত্মার গভীর শান্তি। একই সঙ্গে সমাজের অসাম্য, অন্যায় ও অন্ধকারের বিরুদ্ধে কবির বিদ্রোহী উচ্চারণও এই কাব্যগ্রন্থকে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।
ভাষার মাধুর্য, চিত্রকল্পের দীপ্তি এবং ভাবনার স্বাতন্ত্র্যে “চন্দ্রালি” পাঠককে নিয়ে যায় অনুভূতির এক অন্তর্মুখী যাত্রায়। প্রতিটি কবিতায় শব্দ যেন আলোর মতো ছড়িয়ে পড়ে—কখনো বিষণ্ন, কখনো আশাবাদী, আবার কখনো তীব্র প্রতিবাদী।
সমকালীন বাস্তবতা ও চিরন্তন মানবিক অনুভূতির সংমিশ্রণে রচিত এই কাব্যগ্রন্থ পাঠকের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে যেতে সক্ষম। যারা কবিতায় প্রেমের সৌন্দর্য, আত্মিক প্রার্থনার গভীরতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর খুঁজে পান, তাদের জন্য “চন্দ্রালি” নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য পাঠ।
উল্লেখ্য, বইটি অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ জাগৃতি প্রকাশনীর ৮০১–৮০২ নম্বর স্টলে পাওয়া যাচ্ছে।
