ঘুষ দুর্নীতি অনিয়ম কমিশন টেন্ডার বদলি বাণিজ্য অবৈধ অর্থে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন সহ অভিযোগের পাহাড় গণপূর্তের প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে
শেখ ফয়সাল আহমেদ :
রাষ্ট্রের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন মেরামতের কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে সম্পাদন হয় এই জন্য এই অধিদপ্তরে সরকার বরাদ্দ দেয় হাজার হাজার কোটি টাকা। কিন্তু কিছু ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীর জন্য আজ এই অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি নষ্ট ও সরকারে গচ্চা যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। অনেক প্রকৌশলী বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ভুয়া বিল ভাউচার ও বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি ও বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে শূন্য থেকে হয়ে গেছেন শত শত কোটি টাকার মালিক ইতিমধ্যে অনেকেই পাচার করেছেন দেশের বাহিরে বিপুল পরিমাণ অর্থ।
বিগত সরকারের আমলে হরিলুট হয়েছে এই অধিদপ্তরে সবচেয়ে বেশি, তবে ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্টের পরে অনেক প্রকৌশলী বরখাস্ত সাময়িক বরখাস্ত বিভিন্ন বদলি মামলা সহ বিভিন্ন শাস্তির আওতায় পড়েছেন, আবার অনেক চিহ্নিত বিতর্কিত দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীরা এখনো আছেন বহাল তবিয়তে অদৃশ্য ক্ষমতা বলে তাদের মধ্যে অন্যতম নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম।
ঢাকা শেরেবাংলা নগর গণপূর্ত বিভাগ ৩ ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন শীর্ষ গণমাধ্যমে তার অনিয়ম দুর্নীতি ও সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ অবৈধ অর্থে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একের পর এক সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে, বিভিন্ন দপ্তরের জমা পড়েছে একাধিক অভিযোগ রয়েছে নানা বিতর্ক তারপরও তিনি কিভাবে আছেন স্বপদে বহাল?
কে এই প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম? কি তার ক্ষমতার উৎস?
সরকারি তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী সাদিকুল ইসলামের ছেলে আতিকুল ইসলাম, বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারে বসবাস করতেনএবং সেখান থেকে পড়াশোনা করেন পরবর্তীতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২৭ তম বিসিএস ক্যাডারে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ২০০৮ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করেন। অভিযোগ আছে চাকরি জীবনের শুরুতেই জড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতিতে।
বাবার আর্থিক তেমন একটা স্বচ্ছলতা ছিল না, কিন্তু আতিকুল ইসলাম সরকারি চাকরিতে যোগদানের পরপরই জড়িয়ে পড়েন ঘুষ দুর্নীতি টেন্ডার কমিশন বাণিজ্য সহ নানা অপকর্মে এবং এই অর্ধে ক্রয় করেছেন সম্পদের পাহাড়।
প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামের সাথে সখ্যতা ছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক প্রভাবশালী নেতা এমপি ও মন্ত্রীর সঙ্গে, যার প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও তিনি কখনো কোন শাস্তির আওতায় পড়েননি। বিভিন্ন অভিযোগ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্যের তালিকায় রয়েছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় যেমন:
সরকারি চাকরি বিধিমালা উপেক্ষা করে কর্মজীবনের অধিকাংশ সময় ঢাকায় কর্মরত আছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৈরি করেছিলেন একটি সিন্ডিকেট যা এখনো বহাল আছে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে একাধিক মন্ত্রী এমপির সঙ্গে ছিল ঘনিষ্ঠ সখ্যতা। ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে গঠিত সিন্ডিকেটের অনেক সদস্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন শাস্তির আওতায় পড়েছেন কিন্তু তিনি আছেন ধরাছোঁয়ার বাহিরে।
কয়েকজন ঠিকাদারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ঘুষ নিয়ে অনুমোদিত বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা হতে ৩ বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকার অতিরিক্ত দরপত্র আহবান করে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-১ এ বদলী হয়েছিলেন ।অতিরিক্ত ৬০ কোটি টাকার দরপত্র আহবান করে কৌশলে ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ।রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কয়েকটি পরিত্যক্ত বাড়ি ও তিনটি ভবন সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম করে ভুয়া বিল ভাউচার করে অর্থ আত্মসাৎ।তৎকালীন সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আক্তারের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ২০২২ অর্থবছরে ১২০টি কাজের বিপরীতে রহস্যজনকভাবে ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন তাকে। যেটা নিয়ে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক বিতর্ক।
ওই অর্থ বছরে নিন্মমানের কাজ ও প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল এবং তৎকালীন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর কাছে তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল কিন্তু সে সময় তিনি অবৈধ অর্থ দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছিলেন। দুর্নীতির দায়ে তাকে একবার ওএসডি করা হয়েছিল।
ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এর বহুতলবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের জন্য একটি কমিটি করা হয়েছিল প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম ছিলেন সেই কমিটিতে এবং
কমিটির অনুমোদন নেওয়ার নামে মতিঝিল গণপূর্ত বিভাগ থেকে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-১ এ হস্তান্তরে দুই বিভাগের মধ্যে ৫ কোটি টাকার অনুমোদন ফি এর বড় একটা অংশ তিনি পেয়েছিলেন। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তার সকল রক্ষণাবেক্ষণের কাজে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অদৃশ্য ক্ষমতার প্রভাবে তিনি ঘুরে ফিরে ঢাকার এক ডিভিশন থেকে আরেক ডিভিশনে বদলি হন, স্ত্রী কানিজা মুস্তারিনার নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গড়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরেই পরোক্ষভাবে ঠিকাদারী করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
ঠিকাদারদের ১০ শতাংশ কমে দরপত্রে অংশগ্রহণ করার জন্য দরতপত্রের রেট কোটেশন বিক্রি করেছিলেন। ২০০৮ সালে জাহিদুর রহমান এবং আতিকুল ইসলামের স্ত্রী কানিজা মুস্তারিনা মিলে “Adroit Consultants and Engineers” নামে একটি যৌথ প্রতিষ্ঠান গঠন করেছিলেন। প্রভাব খাটিয়ে Adroit Consultants & Engineers নামে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার ১৬৭টি কাজ নিয়েছিলেন। ১৬৯টি কাজের মধ্যে ১৫৭টি কাজের মধ্যে ১৩২টি কাজই পিপিআর এর নিয়ম ভঙ্গ করে একক দরদাতার মাধ্যমে ওয়ার্ক অর্ডার নিয়েছিলেন।
অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার কাজ দিয়েছিলেন নিজের প্রতিষ্ঠানকে। যেসব টেন্ডারে অনিয়ম করেছিলেন সেগুলোর তালিকায় আছে :
১৪৭৩০৩, ১৪৭৩০৫, ১৫৬০০০, ১৬০০৯০, ১৬৪৫৮২, ১৭১৭৫৯, ১৭৬২৬৬, ১৯৩৪৭০, ২০৪৬৬০, ২০৯৪৫৩, ২০৯৪৫৪, ২১০৭২২, ২১০৭২৮, ২১০৮৪৯, ২১০৮৮১, ২২৬৬৯০, ২৭৪৪৬২, ৩১৮৭৩০, ৪৩২৫০২, ৪৩২৫০৪, ৪৩৩৭১৫, ৪৩৫৮৫৭, ৪৩৭৯৭০, ৪৫৬৫২৭, ৪৫৯৭১৬, ৪৬০১৭৮, ৪৬০৮১৭, ৪৬০৮৪১, ৪৬১০৯৯, ৪৬২০১৪, ৪৬২২১৮, ৪৬২২১৯, ৪৬২২২০, ৪৬২২২১, ৪৬২২২২, ৪৬২২২৪, ৪৬২২৩৭, ৪৬২২৪৬, ৪৬২২৫৩, ৪৬২২৫৫, ৪৬২২৬১, ৪৬২৯৪৮, ৪৬৬২৫৮, ৪৬৭৩৬৭, ৪৬৭৩৭৭, ৪৬৯২১৮, ৪৬৯৬২৫, ৪৬৯৮৮৫, ৫১৩৯০৭, ৫২৩৬০৫, ৫২৩৬০৬, ৫২৩৮৩২, ৫২৩৮৩৩, ৫২৬৭৮৬, ৫২৬৭৮৯, ৫২৬৮৩২, ৫২৯৫৬০, ৫২৯৮৮৬, ৫৩০৬৪৮, ৫৩০৬৫৩, ৫৪৩৭৮৬, ৫৫২৫২৭, ৫৫২৫৪০, ৫৫৬৫৮৪, ৫৫৬৮৫৭, ৫৬১৬৫০, ৫৬১৯১৩, ৫৬৩৬৭৭, ৫৬৩৬৭৭, ৫৬৭১৩০, ৫৬৭১৫৮, ৫৬৮০৬৮, ৫৭২৯৮৯, ৫৭৪৪১৮, ৫৭৪৪৩২, ৫৭৫৫৮২, ৫৭৫৫৮৬, ৫৭৮১১৫, ৫৮০৩০৮, ৫৮১৩৮৬, ৫৮৩৪১৪, ৫৮৩৪৩১, ৫৮৫৪৭১, ৫৮৫৭৫৯, ৫৮৬০৭৯, ৫৮৭৯৭৯, ৫৮৮৮২৬, ৫৮৯১৭৩, ৫৯০৯১৯, ৬২৬১৮১, ৬৩৯৪৭৫, ৬৩৯৫১৯, ৬৩৯৫২৪, ৬৩৯৫২৭, ৬৩৯৫২৮, ৬৫৬১৯৫, ৬৫৬৩৯১, ৬৫৬৪৭৭, ৬৫৭৫৫৮, ৬৫৮৯৮৬, ৬৫৯৯০৯, ৬৬৪৪৪৫, ৬৬৮৮৮০, ৬৭১৩৬৮, ৬৭৪৫৯১, ৬৮৯১৫৩, ৬৯৪১৫১, ৬৯৫৫৭৯, ৬৯৬৫৬১, ৬৯৬৫৯১, ৭০৫৬২২, ৭০৮৩৭৫, ৭১০৪৬৭, ৭১৮৯৭২, ৭৫০৬০৮, ৭৫১০৪৯, ৭৫৪১৪৩, ৭৫৭৯৪৫, ৭৫৮০৫৮, ৭৫৮০৬১, ৭৫৮৮৫২, ৭৭৫৫২৮, ৭৮৩২১২, ৭৮৫২৯১, ৭৮৭০২৩, ৭৮৮৩১১, ৭৮৮৩১৫, ৭৯৩০৫৭, ৮১৩৯৭১, ৮১৪৪৫৪, ৮২১৯৮৫, ৮২৮১২০, ৮২৮৮৮১, ৮৩২০২০, ৮৩৬৬৫০, ৮৪৪২৯৬, ৮৬৪২০৭, ৮৬৪৮৬৬, ৮৬৪৯৪৪, ৮৬৪৯৬৯, ৮৭৭৫৩৪, ৮৯৪৯৩৯, ৯৩৪৯৩৭, ৯৮৫৩৪৮, ৯৮৮১৯১, ৯৯১৬৯০, ১০১১৩০২, ১০২৩৭৯২, ১০৪২২৯৬, ১০৪২৩0৬, ১০৪২৩৪১, ১০৫৫৩১০, ১০৫৭১২৭, ১০৬৩৬৮০, ১০৬৩৬৮৪, ১০৬৫০০১।
অভিযোগের তালিকায় আরো আছে: নরায়ণগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ৫টি LTM ও ১টি OTM দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। সবক’টি কাজই (টেন্ডার আইডি ১০৮৫৩৬৭–১০৮৫৩৭১, ১০৮৫৭৮১) তদবির করে Adroit Consultants & Engineers কে দিয়েছিলেন ।একই পদ্ধতিতে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টেন্ডার আইডি ১০৪২২৯৬, ১০৪২৩৪১, ১০৪২৩0৬, ১০৫৭১২৭, ১০৫৫৩১০, ১০৬৩৬৮০, ১০৬৩৬৮৪, ১০৬৫০০১-এই ৮টি কাজ এককভাবে দিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানটিকে
যার মোট মূল্য ছিল প্রায় ৭৬ লাখ ১৭ হাজার টাকা।
বিগত সরকারের আমলে দলীয়করণ স্বজনপ্রীতির অভিযোগ : বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, অনিয়ম-দুর্নীতির প্রথম সারিতে ছিলেন তার অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে একাধিক ঠিকাদারের অভিযোগ গণপূর্ত অধিদপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন বিভিন্ন প্রকল্প থেকে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ভুয়া বিল ভাউচার করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী,সচিব, রাজনীতিবিদ প্রভাবশালী ঠিকাদার সহ তৎকালীন বিতর্কিত অনেকের ছিলেন আস্থাভাজন । একাধিক অভিযোগ ও নানা বিতর্ক থাকার পরও অবৈধ অর্থ দিয়ে সবকিছু ম্যানেজ করে নেন
টেন্ডার ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ:
দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়ের হয়েছে একাধিক অভিযোগ কিন্তু অদৃশ্য কারণে আলোর মুখ দেখেনা।২০২৪ সালের ৫ ই আগস্টের পর বেশকিছু রাজনৈতিক মহলকে অর্থ ডোনেশন দিয়ে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করেছেন।ঘুষ দুর্নীতি অনিয়ম কমিশন বাণিজ্য প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে ক্রয় করেছেন বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অভিযোগ আছে চাকরি জীবনের পূর্বে পরিবারে তেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল না কিন্তু গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করে অনিয়ম দুর্নীতি করে ইতিমধ্যে ক্রয় করেছেন একাধিক প্লট ফ্লাট বাড়ি গাড়ি ।বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র ও গণমাধ্যময় প্রকাশিত সংবাদের তথ্যে জানা যায় সম্পদের তালিকায় রয়েছে :
রোড -৮, বাড়ি -২,ফ্লাট ৩/এ, নিউ মার্কেট ধানমন্ডি এই ফ্ল্যাটটি ক্রয় করেছেন প্রায় ২ কোটি টাকা দিয়ে চলাচলের জন্য রয়েছে একটি দামি গাড়ি যেটা ক্রয় করেছেন তার স্ত্রীর নামে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে আরও একাধিক ফ্লাট প্লট জমি ,ময়ময়সিংহে ২৫ বিঘা জমির ওপর মাছের খামার ,বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুসারে আইনের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য অধিকাংশ সম্পদ তার পিতা সাদিকুল ইসলাম,স্ত্রী, কানিজা মুস্তারিন, ছেলে জিহাদ মোহাম্মদ আফিফ,শশুর, শাশুড়ি সহ আরো বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামে ক্রয় করেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম অবৈধ অর্থ দিয়ে সবকিছু ম্যানেজ করে ফেলে এবং সে কারণেই তিনি সেকালেও ছিলেন একালে ও আছেন বহাল তবিয়তে তবে তার এই অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী বলেন কোন তথ্য সংগ্রহের জন্য বা সংবাদ সংক্রান্ত কোনো বক্তব্য নিতে গেলে তাকে কখনো পাওয়া যায় না তিনি কখনো ফোন রিসিভ করেন না।
দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন বিভিন্ন অভিযোগ পত্রের ভিত্তিতে দুদক অনুসন্ধান করে এটা যেমন সঠিক আবার গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ গুলো দুদক গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে যদি তার আয়ের সাথে সম্পদের সামঞ্জস্য না থাকে তাহলে সেটা অবশ্যই অনুসন্ধান করে দেখা হবে।এই বিষয়ে জানতে প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি এই জন্য তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
