১৬ অক্টোবর রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল: কাজী ইরাদত আলীকেই সেক্রেটারি হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা

১৬ অক্টোবর রাজবাড়ী জেলা  আওয়ামী লীগের কাউন্সিল:  কাজী ইরাদত আলীকেই সেক্রেটারি হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা

খন্দকার রবিউল ইসলাম (রাজবাড়ী) :
 রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে নেতাকর্মীদের মাঝে।তৃণমূল থেকে উপজেলা পর্যায়ে রাজনীতির মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পছন্দের নেতাদের পক্ষে পোস্ট করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।আগামী ১৬অক্টোবর-২০২১ (শনিবার) রাজবাড়ী শহীদ খুশি রেলওয়ে মাঠে  এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
কে ধরছেন জেলা আওয়ামী লীগের হাল, কে হবেন নৌকার প্রকৃত কাণ্ডারী এ নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে জেলার সর্বত্র মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। বিত্তবানদের ড্রয়িংরুম থেকে শুরু করে চায়ের দোকান পর্যন্ত চলছে এর জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নেতাকর্মীদের পোস্টের মাধ্যমে উঠে আসছে তাদের প্রিয় নেতার নাম।বর্তমান রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলীর পক্ষে ইতিমধ্যে বেশ জোড়ালো ভাবেই প্রচার প্রচারনা শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।
নেতাকর্মীদের পোস্ট গুলো হুবুহু তুলে ধরা হলোঃ
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ ওয়াহিদ্দুজ্জামান লিখেছেনঃ আমরা এই যোগ্য নেতা হারাতে চাইনা স্হানীয় কর্মী নেতাদের স্বাথে’ কাজী ইরাদত আলী কে পুণরায় জেলা আওয়ামিলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাই।যেটি নেত্রীর কাছে আমদের সবিনয় নিবেদন। 
     সামসুল আরেফিন চৌধুরী তার আইডিতে লিখেছেন,  নেতা অনেকেই হয়েছে এই শহরে,এই রাজবাড়ীতে,  অনেকেই নেতা হবে সামনের দিনগুলিতে। সভাপতি / সাধারন সম্পাদকও অনেকই হয়েছে, হবে। কিন্তু কাজী ইরাদত আলীর মতো আর কেউ হবে না। এতোটা ডেডিকেশন, এতোটা শ্রম, কর্মীদের প্রতি এতোটা মমত্ববোধ নিয়ে তাদের পাশে কেউ দাড়াতে পারবে না। ১৬ ই ক্টোবর, জেলা আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে হাজার হাজার কর্মীরা কাজী ইরাদত আলীকেই পূনরায় সাধারন সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাইবে। শুভ কামনা, শ্রদ্ধেয়  নেতা কাজী ইরাদত আলী।
      Shams Rohan লিখেছেন, আগামী ১৬ অক্টোবর রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল ও সার্থক করতে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আমাদের প্রিয় নেতা, রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক জননেতা শ্রদ্ধেয় জনাব কাজী ইরাদত আলী কাকু। ১৬ অক্টোবর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রিয় নেতা শ্রদ্ধেয় জনাব কাজী ইরাদত আলী কাকু কে পুনরায় জেলা আওয়ামী লীগের  সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চাই। শুভকামনা রইল প্রিয় নেতার জন্য।
       শেখ সুমন সবুজ লিখেছেন, দাবি মোদের একটাই।  ইরাদত আলীকে সাধারন সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাই।আগামী ১৬ অক্টোবর (শনিবার)  রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে। গত ২ বছরের রাজবাড়ীর করোনা যোদ্ধা,৭৫ পরবর্তী গোয়ালন্দ মহুকুমা সহ সভাপতি,৯০ এর স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার হঠাও আন্দোলনের রাজপথ কাঁপানো সাহসী রাজনীতিবীদ,বর্তমান রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সফল সংগঠন,জননেতা জনাব কাজী ইরাদত আলী কে পুর্নরায় রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দেখতে চায়, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেত্ব বৃন্দ।জয় বাংলা    জয় বঙ্গবন্ধু     জয়তু শেখ হাসিনা।
      ইবাদত হোসেন শুভ বিশ্বাস লিখেছেন, যোগ্যতা যাচাই করার জন্যেও যোগ্যতা প্রয়োজন। রাজবাড়ী বাসীর যোগ্য ব্যক্তি, রাজবাড়ীর আপামর জনতার জননেতা জনাব Kazi Eradat Ali। রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হওয়ার যোগ্য শুধুই আপনি। রাজবাড়ীতে আপনার যোগ্যতা যাচাই করার মতো এমন যোগ্য এখনো কেউ হয়নি।
   MD Jahidul Islam লিখেছেন, আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২১ রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সফল হোক সার্থক হোক।শুভ কামনা প্রিয় নেতা, রাজবাড়ী গণ-মানুষের নেতা জননেতা জনাব Kazi Eradat Ali কাকুর জন্য। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
     নজরুল ইসলাম রুবেল লিখেছেন, ৭০ দশকের শেষে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে,৭৫ পরবর্তী গোয়ালন্দ মহুকুমা সহ্ সভাপতি , ৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যার মধ্যে রিলিফ বিতরণ, ৯০ এর স্বৈরশাসক এরশাদ সরকার হটাও,গতো ২ বছর করোনায় ৩০ হাজার পরিবারে মুখে খাদ্য চিকিৎসা, বস্ত্র, বর্তমান রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জনাব কাজী ইরাদত আলী মাঠে ছিলেন,আছেন,থাকবেন ইনশাআল্লাহ।। রাজবাড়ীর লাক্ষো, হাজার আওয়ামী ও সহযোগী সংগঠনের নিবেদিত নেতা কর্মিরা আবারও রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের আগামী ১৬ অক্টোবর রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে জননেতা জনাব  কাজী ইরাদত আলীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায়।। জয় বাংলা     জয় বঙ্গবন্ধু ।
রাজবাড়ী জেলা ছাত্র লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাদ্মাম সাকিব রাফি তার ফেসবুকে লিখেছেন, অর্থনৈতিক, সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটি উজ্জ্বল নাম-একজন ব্যতিক্রমী মানুষ #কাজী_ইরাদত_আলী। ১৯৭৫ সালের ১৮ আগষ্ট আততায়ীদের হাতে বাবা কাজী হেদায়েত হোসেন মারা যায়।তিনি তখন সবেমাত্র কলেজ জীবনে পদার্পণ করেছেন। বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের পাশাপাশি পুরো পরিবারের হাল ধরতে হয় তাঁর ঐ অপরিণত বয়সেই। ছোট ভাই-বোনদের পড়াশোনাসহ মায়ের পরামর্শ ও আশীর্বাদে একটি বড় পরিবার দেখাশুনায় তিনি একজন যোগ্য অভিভাবক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।একই সময়ে তিনি ঐতিহ্যগত দিক থেকে বাবার রাজনৈতিক সহচরদের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বড় ভূমিকা রাখেন। তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ততায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা নিখুঁতভাবে বাস্তবায়নে রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি এক বিরল চরিত্রের অধিকারী।১৯৮৯ সালের নভেম্বরে আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের আমন্ত্রণে রাজবাড়ী ঐতিহাসিক রেলওয়ে ময়দানে এক জনসভা করেন। বিশাল এ জনসভার নেপথ্যের কারিগর কাজী ইরাদত আলী’র সাংগঠনিক দক্ষতা দেখে রাতে রাজবাড়ী ডাকবাংলোয় জননেত্রী শেখ হাসিনা ভূয়সী প্রশংসা করেন।রাজবাড়ীর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তাঁর পরিকল্পনা ও নির্দেশনা মোতাবেক যুবলীগ, শ্রমিকলীগ ও কৃষকলীগ সংগঠিতকরণসহ ছাত্রলীগ পরিচর্যার মাধ্যমে রাজনীতির তৃণমূলে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি ঘটে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কাজী ইরাদত আলী বিভিন্ন মিল-কারখানাসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের সত্ত্বাধিকারী হিসেবে অনেক বেকার ছেলে মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন।সামাজিক অবদানের অংশ হিসেবে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসালয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় রাজবাড়ী আদর্শ মহিলা কলেজ, কাজী হেদায়েত হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, মোনাক্কা-আলভী এতিমখানাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা ক্ষেত্রে রাজবাড়ী ডায়াবেটিস হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা পায়।ব্যক্তিজীবনে কাজী ইরাদত আলী একজন দানবীর হিসেবেও খ্যাত। করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে চলমান লকডাউনে প্রায় ৩০হাজার অসহায় মানুষকে খাদ্য(বাজার) সহযোগিতা প্রদান করেন তিনি। তাছাড়া দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যয়ভার, প্রত্যন্ত অঞ্চলে মসজিদ-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অনুদানসহ প্রতিনিয়ত দানের হাত প্রসারিত করে থাকেন।ব্যতিক্রমী কাজী ইরাদত আলী রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে পাওয়ার চেয়ে দিয়েছেন বেশী। তাঁর উদার সহযোগিতায় ও যথাযোগ্য নেতৃত্বে রাজবাড়ীতে নৌকা প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে একাধিক বার জয়ী হয়ে আসছে।রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সুনাম প্রতিষ্ঠায় অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখছেন তিনি৷ কাজী ইরাদত আলী বর্তমানে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সুযোগ্য সব থেকে জনপ্রিয় সাধারণ সম্পাদক, রাজবাড়ী জেলা চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি, রাজবাড়ী জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক গ্রুপের সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠণের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।রাজবাড়ী তৃণমূল নেতা কর্মী সহ সকল সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি ও আকুল আবেদন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এর সুযোগ্য সভাপতি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরন্ত শেখ_হাসিনা মহাদয়ের নিকট জনন্দিত গণমানুষের নেতা কাজী ইরাদত আলী’ কে আগামী রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব দিয়ে রাজবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আদর্শ বাস্তবায়নের চলমান কার্যক্রম ও জনগণের প্রকৃত সেবার সুযোগ অব্যাহত রাখা হোক৷
   রাজবাড়ী জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সামসুল সালেহীন অপু তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, বিপদের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু। এই মহামারী করোনাকলীন সময়ে যে নেতা রাজবাড়ীর সাধারন অসহায় জনগনের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন কখনও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করে কখনও এমব্যুলেন্স দিয়ে কখনও নিজস্ব তহবিল থেকে নগদ অর্থ দিয়ে তিনি আমাদের সকলের প্রিয় নেতা রাজবাড়ী জেলা আওয়ামিলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী কাকু। যার নিরলস পরিশ্রমে একদিকে জেলা আওয়ামিলীগ সহ সকল অঙ্গ সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন অন্যদিকে সাধারন অসহায় মানুষদের পাশে বার বার গিয়ে দাঁড়িয়েছেন। প্রিয় নেতার জন্য রইলো দোয়া ভালবাসা ও শুভকামনা।
     Rezaul Karim: তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর যে আওয়ামী লীগ, নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে যারা আওয়ামী লীগ করে, ঘরের গোয়ালের গরু বিক্রি করে যারা আওয়ামী লীগ করে, ধান বিক্রি করে যে আওয়ামী লীগ করে সেই আওয়ামী লীগের প্রতিক ব্যক্তি হচ্ছে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক #কাজী_ইরাদত_আলী। পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্খীর সমর্থনে আয়োজিত পথ সভায় এ সব কথা বলেছিলেন শেখ ফজলে ফাহিম ভাই প্রেসিডিয়াম সদস্য, যুবলীগ ও সভাপতি, দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।
    গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগ উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মোঃএনামুল হক লিটন তার ফেসবুকে লিখেছেন, যিনি শুধু দিয়ে গেছেন বিনিময়ে পেয়েছেন কি? কখনো কি তিনি চেয়েছেন কিছু?আপনারা কি তাকে দিয়েছেন যোগ্য সম্মানটুকু যেটা তার প্রাপ্যতা ছিল।নাকি শুধু নিয়েই গেলেন তার কাছ থেকে ভেবেছেন কি ?যোগ্যতা,সক্ষমতা থাকার পরো বারবার তিনি উপেক্ষিত হয়েছেন” কিন্ত কেনো? আপনাদের বৈরি আচরণে মর্মাহত হয়েছেন নিজেকে ভেঙেছেন তবে কখনো হতাশ হননি বরং পুড়ে পুড়ে নিজেকে করেছেন আরো বেশি শুদ্ধ।কখনো পিছপা হননি বরং দলের জন্য সর্বোচ্চ ভাবে নিজেকে করেছেন নিবেদন।যেই মানুষটি সংগঠনের ভালোর জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত তাকে যোগ্য সম্মানটুকু প্রদান করা সংগঠনের দায়বদ্ধতার মধ্যেই পরে।তাছাড়াও রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের দলীয় নেতাকর্মীদের নিজেদের প্রয়োজনেই সাধারণ সম্পাদক পদে জনাব কাজী ইরাদত আলী মহোদয়ের মত যোগ্য -ত্যাগী -কর্মী-বান্ধব নেতা সবার পচ্ছন্দের শীর্ষে।পূনরায় তাকেই আমরা রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চাই।
    Reza Reza নামে এক যুবক তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, রাজনীতি একটি অধ্যবসায়, যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ আপনি। অনেকে এসেছেন, বসেছেন, ভালো লাগেনি বা প্রাপ্তিহীনতায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে বিদায় নিয়েছেন। অনেকে পদ নিয়েছেন বা পেয়েছেন কিন্তু দায়িত্ব নেননি। অনেকে মতাদর্শের সাথে আপোষ করেছেন নামমাত্র প্রাপ্তিতে।আপনি ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন নির্মোহ অভিব্যক্তিতে ইনশা-আল্লাহ। এটা আমাদের প্রত্যাশা নয়, বিশ্বাস। রাজনীতিতে আপনার মনোভাব, আপনার (smartness (উজ্জলন), আপনার Discretion(বিচক্ষণতা) আমাকে শুধু বিস্মিত’ই নয়, আন্দোলিতও করে।আপনার শাসনে, সিদ্ধান্তে মাঝে মধ্যে অভিমান হয়, কিন্তু কর্মীদের সামনে আপনার থেকে better (ভালো) কোন options (পথ) ও খোলা নেই। আপনার মতো করে কেউ দরজা খুলে রাখেনি কর্মীর জন্য, ভালবাসি ভাই আপনাকে। আসন্ন জেলা কাউন্সিলে আপনাকেই স্ব-পদে বহাল চাই।
  Shawon Rahaman নামে একজন লিখেছেন, আমরা রাজবাড়ী বাসী আমাদের শ্রদ্ধাভাজন বঙ্গবন্ধুর হ্যামিলিওনের বাসিওয়ালা ,রাজবাড়ীর প্রমিথিউজ জননেতা কাজী এরাদত আলী কাকুকে স্বপদে বহাল চাই । কাকুর মত বড় হৃদয়ের মানুষ রাজবাড়ী বাসীর জন্য খুব দরকার।
  Shourav Gazi নামে একজন লিখেছেন, রাজবাড়ীতে কাজী ইরাদত আলী চাচ্চুর অবদান অনেক।তিনি শুধু দিয়েই গেছেন, বিনিময়ে জনগণের ভালোবাসা ছাড়া কিছুই পান নাই। ভালোবাসা থাকবে সবসময় চাচ্চুর জন্য।পৌর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক Fazlu Abu লিখেছেনঃ রাজবাড়ী তৃণমূল নেতা কর্মীদের এক মাত্র আশ্রয়স্হল এক মাত্র ভরসা মানবতার ফেরীআলা মানবিক নেতা প্রিয় নেতা প্রিয় অভিভাবক শ্রদ্ধাভাজন রাজবাড়ী গন মানুষ এর নেতা জেলা আওয়ামী লীগ এর বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জননেতা কাজী ইরাদত আলী।
   Sohel Rana লিখেছেন, ১৯৮৭ সালের বন্যায় মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন, বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জনাব কাজী ইরাদত সাহেব,এমন নেতা কি রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে আছেন,থাকলে ছবি সহ্ পোস্ট করুন। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু শেখ হাসিনা এস.এম লিমন লিখেছেনঃ রাজপথের একজন সংগ্রামী যোদ্ধা যার সংগ্রাম বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষে যিনি নিরলস প্ররিশ্রম করে যাচ্ছেন রিয়েল লাইফ হিরো প্রিয় নেতা, প্রিয় অভিভাবক, হাজারো কর্মীর আশ্রয়স্থল, সংগ্রামী জননেতা কাজী ইরাদত আলী, ভালোবাসা ও শুভকামনা আজীবন।
৬ নং ওয়ার্ড পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক MD Shahanur লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট একজন তৃনমূলের কর্মী হিসেবে চাওয়া আসন্ন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে কাজী ইরাদত আলী কে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য।জয় বাংলা।
   Sa Shoflkul Islam লিখেছেন,  রাজবাড়ী গণমানুষের নেতা।তৃণ মূল নেতা কর্মীদের শেষ আশ্রয়স্থল, আমাদের প্রিয় অভিভাবক জননেতা। কাজী ইরাদত আলী কাকু, সাধারণ সম্পাদক, রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগ।আপনার জন্য দোয়া ও শুভ কামনা রইলো গণমানুষের প্রিয় নেতা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজবাড়ী সদর উপজেলা শাখা প্রচার সম্পাদক, Naim Sarder আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজবাড়ী জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন।আমাদের প্রিয়নেতা জনাব কাজী ইরাদত আলী কাকু জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্তাভাজন ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অভিভাবক জনাব কাজী ইরাদত আলী কে পুনরায় রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দেখতে চায় রাজবাড়ী জেলা বাসী ৷জনাব কাজী ইরাদত আলী কাকুরজন্য শুভ কামনা। 

Share This Post