শেষ হলো দারাজ চ্যাম্পিয়নশিপ কেস স্টাডি পর্ব

শেষ হলো দারাজ চ্যাম্পিয়নশিপ কেস স্টাডি পর্ব

সফলভাবে শেষ হলো দারাজ বাংলাদেশের বিশেষ লিডারশিপ প্রোগ্রামের তৃতীয় পর্ব ‘দারাজ চ্যাম্পিয়নশিপ কেস স্টাডি (ডিসিসিএস)।’ ১৮ মাসব্যাপী চলমান এই ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য ছিল বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশে পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ভবিষ্যতের বিজনেস লিডার তৈরি করা। কেস স্টাডি ভিত্তিক প্রোগ্রামটির সমাপনী অনুষ্ঠানটি গতকাল দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।  
অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন দল ১৫ হাজার টাকা সমমূল্যের দারাজ ভাউচার লাভ করে। প্রথম রানার আপ এবং দ্বিতীয় রানার আপ দল যথাক্রমে ৯ হাজার এবং ৬ হাজার টাকা সমমূল্যের দারাজ ভাউচার পায়। এছাড়াও, তারা চূড়ান্ত ইন্টারভিউ রাউন্ডে পৌঁছায়। সকল বিজয়ীদের ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। দারাজের চিফ এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন অফিসার কাজী মোহাম্মদ জাফর সাদেক, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাব্বির হোসেন এবং চিফ অপারেটিং অফিসার খন্দকার তাসফিন আলম বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। প্রাথমিক ব্যাচে ৮ হাজার ১২ জন মেধাবী তরুণদের নিয়ে চলতি বছরের ১২ মে শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসটি এর লিডারশিপ প্রোগ্রামের কার্যক্রম শুরু করে। কয়েক রাউন্ড বাছাই পর্বের পর মাত্র ১২০ জন কেস স্টাডি পর্বে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে চিফ এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন অফিসার কাজী মোহাম্মদ জাফর সাদেক, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাব্বির হোসেন, চিফ অপারেটিং অফিসার খন্দকার তাসফিন আলম, চিফ মার্কেটিং অফিসার তাজদিন হাসান, চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এ. এইচ. এম. হাসিনুল কুদ্দুস, চিফ কাস্টমার অফিসার ফারহানা রফিক উজ্জামান, চিফ মার্কেটিং অফিসার-হাংরিনাকি মাশরুর হাসান মিম সহ দারাজ বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধান, আমন্ত্রিত অতিথিগণ এবং মিডিয়া কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।       কাজী মোহাম্মদ জাফর সাদেক বলেন, “আমরা দক্ষতা বিকাশের পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণসহ তিনটি ছয় মাসের রোটেশন রুটিন নিয়ে ডিএফএলপি আয়োজন করেছি, যা অংশগ্রহণকারী মেধাবী তরুণদের ব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত জ্ঞান অর্জনের এবং তাদের উদ্যোক্তা সম্পর্কিত দক্ষতা মূল্যায়নের সুযোগ প্রদান করেছে। এর মাধ্যমে যোগাযোগ ও চিন্তাধারা গঠনের ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি ছাড়াও তাদের ইন্ডাস্ট্রি সংক্রান্ত জ্ঞান এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিজয়ী এবং সকল অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন। ডিএফএলপি আপনাদের ভবিষ্যতের সকল উদ্যোগে আপনাদের আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে এই আমাদের প্রত্যাশা।” 
দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ, অসংখ্য বিক্রেতাকে লক্ষাধিক ক্রেতাদের সাথে যুক্ত করেছে। একশো’রও বেশি ক্যাটাগরির প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি পণ্য কেনাকাটায় গ্রাহকদের তাৎক্ষণিক এবং সহজ সুবিধাদানের সাথে সাথে প্রতি মাসে ২০ লাখেরও বেশি পণ্য বিশ্বের সকল প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছে দারাজ। দারাজ তার গ্রাহকদের জন্য একইসাথে একটি বাজার, মার্কেটপ্লেস এবং কমিউনিটি। দারাজ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো, কেননা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে ই-কমার্স সম্পর্কে পাঁচ হাজারেরও বেশি নতুন বিক্রেতাকে সচেতন করে তোলে। দারাজ বিভিন্ন লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে, বিশেষত তাদের ই-কমার্স অপারেশনগুলোকে মাথায় রেখে ‘দারাজ এক্সপ্রেস’ (ডেক্স নামে পরিচিত) নামক নিজেদের লজিস্টিক কোম্পানি গঠন করেছে। দারাজ বিদ্যমান এবং নতুন লজিস্টিক সরবরাহকারীদের ডিজিটালকরণে সহায়তা করছে। ২০১৮ সালে  আলীবাবা গ্রুপ দারাজকে অধিগ্রহণ করে এবং ‘ডিজিটাল অর্থনীতির যুগে যেকোন স্থানে ব্যবসা সহজীকরণ’- এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে দারাজ গর্বের সাথে কাজ করে চলেছে। আলীবাবার অংশ হিসেবে, দারাজ বাজারে তার প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নে আলীবাবার নেতৃত্ব এবং প্রযুক্তি, অনলাইন বাণিজ্য, মোবাইল পেমেন্ট এবং লজিস্টিকের অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করছে।          

Share This Post