মহেশখালীতে স্কুল ভবন নির্ম্মাণ ঠিকাদার’র বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

মহেশখালীতে স্কুল ভবন নির্ম্মাণ ঠিকাদার’র বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

হ্যাপী করিম (মহেশখালী, কক্সবাজার) : 
মহেশখালীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত কক্ষ নির্মানের ঢালায় কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে । জানা গেছে, মহেশখালী উপজেলার ৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে একতালা ভবন নির্মানের দায়িত্ব পায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থারটির অধিনে ডালি মানক এক ঠিকাদার কুতুবদিয়ার লতিফ নামের আরেকজন সাব ঠিকাকারকে ৪টি স্কুল ভবন নির্মানের দায়িত্ব দেন। স্কুল গুলি হলো উপজেলার ছোট  মহেশখালী ইউনিয়নের নলবিলা গ্রামে ইউসুফ নুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদিনাথ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোয়ানকের ডেইল্যা ঘোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোরাকঘাটা সিকদার পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। 
উক্ত ঠিকাদার লতিফ কাজ শুরুর আগ মুর্হুত পর্যন্ত স্কুল পরিচালনা কমিটি থেকে শুরু করে প্রধান শিক্ষকদের না জানিয়ে রাতের আধারে স্কুল ভবনের ঢালায়ের কাজ করে যাচ্ছে। নিম্ম মানের কাজ করার ফলে বৃষ্টির পানি ছাদ দিয়ে বেয়ে পড়ছে ক্লাস রুমে। তাদের প্রথম অনিয়ম শুরু হয় ইউসুফ নুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজ নিয়ে তারা অনিয়ম করে নির্ম্মানের কাজ করতে চাইলে স্থানীয় সুশিল সমাজ সেই কাজের বিরোদ্ধিতা করলে তারা ওই স্কুলের অর্ধেক কাজ করে বাকী কাজ শেষ না করে চলে যান। আদিনাথ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিঠুন ভট্ট্যার্চায বলেন,  আমার প্রতিষ্টানে একটি একতলা ভবনের উপর ২য় তলা নির্মানের কাজ করছে ইউনিসেফ অথচ আমি সহ স্কুল পরিচালনা কমিটির কাউকে না জানিয়ে তারা রাতের আধারে নিন্ম মানের সামগ্রী দিয়ে ঢালায় করেছে ফলে সামান্য বৃষ্টির পানি গড়িয়ে পড়ছে ভিতরে এছাড়াও তারা কোন ধরনের আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনা। সরকারী একটি প্রতিষ্টানে কাজ করবে তারা অথচ স্কুলের সরকারী প্রতিনিধিরা জানাতে পারবেনা এটি কিভাবে সম্ভব। তাদের অনিয়মের বিষয় নিয়ে আমি গত ৮ জুলাই উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে লিখিত অভিযোগ করেছি ওটার কোন উত্তর এখনও পায়নি। 
উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, তারা শুরুতে মৌখিক ভাবে একবার বলছিলো তবে ওই কাছের বিষয়ে লিখিত বা সরাসরি কোন ধরনের আলোচনা করেনি আমাদের সাথে ফলে তাদের কাজের বিষয়ে আমার ধারনা নেই। এব্যপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার চলিত দায়িত্বে থাকা আবু নোমান মো: আব্দুল্লাহ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি স্কুলের ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের বিষয়ে সমস্যা হয়েছে এবিষয়টি ঠিকাদারকে অবহিত করা হয়েছে, আমরা পরির্দশন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো। এই বিষয়ে ঠিকাদার লতিফের ফোনে বেশ কয়েককবার ফোন করে সংযোগ না পাওয়ার কারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 
এদিকে স্থানীয় এসএমসি কমিটির সভাপতি ও সুশিল সমাজের অভিমত কোটি টাকার কাজ করবে আমাদের স্কুলে অথচ ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা কোন ধরনের আলাপ আলোচনা করবেনা স্কুল কর্তপক্ষের সাথে এটি দুঃখ জনক। প্রাথমকি স্কুলের মতো গুরুত্বপূন ভবন তৈরী করতে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করে ভবন তৈরী করলে যে কোন মুুর্হুতে সেই ভবন বা শ্রেণী কক্ষে র্দূঘটনা ঘটতে পারে এটির দায় কে নিবে । দ্রুত এবিষয়ে প্রদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষণ করেছে ছাত্রছাত্রীদের অভিবাবকগণ।

Share This Post