ভালুকায় কেন্দ্রীয় আ: লীগ নেতাদের সাথে পিন্টুর শুভেচ্ছা বিনিময়

ভালুকায় কেন্দ্রীয় আ: লীগ নেতাদের সাথে পিন্টুর শুভেচ্ছা বিনিময়

আদ্রিয়া রুম্পা (ভালুকা , ময়মনসিংহ) :ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের শুভ আগমন উপলক্ষে ভালুকার জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা,উপজেলা পরিষদের বিপুল ভোটে দুই বার নির্বাচিত নান্দনিক ভাইস চেয়ারম্যান,ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো : রফিকুল ইসলাম পিন্টু’র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়ে  বিশাল এক গণমিছিল বের করা হয়।  শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে এই কর্মসুচি সফল করতে ডাকাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক-রফিকুল ইসলাম, পৌর আওয়ামীলীগ- নেতা সফিকুুল ইসলাম শামীম,ভালুকা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্Ÿায়ক-মজিবর রহমান পান্না, রাজৈ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি-ফজলুল হক, কাচিনা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক-রাসেল তালুকদার, মেদুয়ারী ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক-জহিরুল হক মিলটন মোল্লা, উপজেলা যুবলীগ নেতা- রমিজ খান, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারন সম্পাদক-খন্দকার মুহাম্মদ শামীম এর নেতৃত্বে বিভিন্ন শ্লোগান স¤¦লিত ব্যানার ফ্যাষ্টুনসহ খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হলে বিশাল এক জন সমাগমের গণমিছিলটি  মহাসড়ক সহ আশ-পাশের সড়ক গুলো প্রদক্ষিন করে। ওই সময় ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় যোগদানের পথে,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সফল সাংগঠনিক সম্পাদক-সফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এর সাথে ফুলেল শুভেচ্ছা  বিনিময় করেন আওয়ামী রাজনীতির দুর্দিনের ওই কান্ডারী রফিকুল ইসলাম পিন্টু। খাঁটি ভালবাসার কাছে অর্থ কিংবা সম্পদের পাহাড়ও অনেক সময় যে তুচ্ছ হয়ে যায়; পিন্টুই তা আবারও প্রমান করলো চির চেনা রাজনীতির রাজপথে। বর্তমানে নেতাদের প্রতি আনুগত্য থেকে দলীয় কর্মসুচি কিংবা রাজপথের লড়াই সংগ্রামে অংশ নেয়ার প্রবনতাটা কমতে থাকলেও,পিন্টুর বেলায় তা সব সময় ভিন্নতা খুজে পাওয়া যায়। দলীয় প্রয়োজন কিংবা দলের দুঃসময়ে লড়াই সংগ্রামের মাঠে তার ডাকে ছুটে আসেন হাজার-হাজার কর্মী। দলের অনুকুলে মাঠ ধরে রেখে রাজপথে ফিরিয়ে দেয় আওয়ামী রাজনীতির প্রাণ।অর্থ ও প্রাচুর্যহীন একটি পরিবারের অতি সাধারন একজন মানুষ কিভাবে ্এতো জনপ্রিয়তার দ্বার উন্মোচিত  করলো; সেই গল্পটা জানতে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীর সাথে কথা হলে তারা জানায়, ৯০ দশকে  স্কুল জীবনে জয় বাংলার শ্লোগানকে সম্বল করেই রাজনীতির রাজপথে তার  পরিচয় ঘটে।ওই সময় দেয়ার মতো এর চেয়ে বেশী কিছু পরিচয় আর কিছুই ছিল না তার। কিন্তু বঙ্গবন্ধু,জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং ছাত্রলীগে আদর্শই ছিল তার ধ্যান ও জ্ঞানের মূল ভাবনা । সেই ভাবনা থেকেই স্কুল জীবনে তৎকালীন স্বৈরা-শাসকদের বিরুদ্ধে ছাত্রদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে প্রিয় সহযোদ্ধাদের পুলিশ ও ছাত্রদলে  কাছ থেকে রক্ষা করতে গিয়ে  শরীরের রক্ত ঝড়িয়ে বার-বার হয়েছেন কারা নির্যাতিত। যার বদৌলতে ভালুকার কঠিন সময়ের ছাত্র রাজনীতির একজন ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতা হয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের চালিকা শক্তি হয়ে উঠেন সবার প্রিয় ওই ছাত্র নেতা রফিকুল ইসলাম পিন্টু। কর্মীদের সদা-সর্বদাই কাছে টেনে ভালবাসার ফলশ্রুতিতে পরে তিনি যুবলীগের সফল নেতৃত্বের কৃতিত্বও অর্জন করেন। তাই সবার ভালবাসার প্রিয় এই পাত্রকে তৃণমূল কর্মীরা তাদের রায় প্রদান করে ভালুকা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করার সুযোগ করে দিলে, রাজ পথ জয়ের ধারাবাহিকতায় গণমানুষের ভোটে ও তাদের ভালবাসায় জয় মাথা পেতে গ্রহন করে  তিনি ভালুকাবাসীর মনের মণি কোঠায় একজন আদর্শ পরোপকারী জনপ্রিয় এবং আলোকিত মানুষ হিসেবে স্থান পেয়েছেন। এতে মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধও  বেড়েছে তরুন ওই জনপ্রতিনিধির। বর্তমানে তিনি জাত-কুল, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে দাঁড়ান অসুখ-বিসুখে আর কারো মৃত্যু হলে কবর কিংবা শশ্মানে ছুটে যান প্রিয় মানুষটাকে শেষবার দেখার জন্যে। সেই সাথে পরিবার সদস্যদের মনোবল যোগান দেন ভেঙ্গে না পড়ারও। এইসব মানবিক গুনাবলিতেই রফিকুল ইসলাম পিন্টু আজ একজন নান্দনিক জনপ্রিয়তার বরপুত্র। ত্ইা তার ডাকে হাজার-হাজার মানুষ রাজ পথে নেমে আসে। তাই তৃণমূলের খুদ রাজনীতিক কর্মীরা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাকেই নির্বাচিত করার সুযোগ চায় দলের নীতি নির্ধারনী মহলের কাছে।# 

Share This Post