বর্তমান সরকারের লক্ষ্য মানুষের দ্বারপ্রান্তে সেবা প্রদান: খুলনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অংশীজনদের সভায় বক্তারা

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য মানুষের দ্বারপ্রান্তে সেবা প্রদান: খুলনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অংশীজনদের সভায় বক্তারা

এম এ আজিম (খুলনা): খুলনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্ত অংশীজনদের অংশগ্রহণে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সের (ইনমাস) কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) নিরঞ্জন দেবনাথ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আহাদ আলী, মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. রবিউল হাসান, খুমেকের বিভাগীয় প্রধান (শিশু স্বাস্থ্য) প্রফেসর ডা. গোলাম মোস্তফা, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বাবুল মিয়া। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইনমাসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. ঝর্ণা দাস। সভায় বক্তারা বলেন, সভ্যতার বয়স যতোদিন, দুর্নীতির বয়স ততোদিন। শুধু আইন করেই এটা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। সমাজে এক ধরনের মানসিক রোগ রয়েছে, প্রয়োজন নেই তবুও অনিয়ম করছি। এ জন্য স্বদিচ্ছার প্রয়োজন। স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। চাপিয়ে দেওয়ার মধ্য নয়, কাজ করতে হবে দায়িত্ববোধ নিয়ে। সেবক হয়ে কাজ করতে হবে। সমাজের প্রতি নিজের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, সেই রক্তের মূল্যায়নে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, খুলনা পরামাণু চিকিৎসা কেন্দ্রে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। একইসাথে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালের অপ্রতুল জনবল নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মানুষের সেবাদানে কাজ করে যাচ্ছে। অতিমারী করোনা ও বর্তমানে ডেঙ্গুর মধ্যেও সেবা প্রদান করা হচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য মানুষের দ্বারপ্রান্তে সেবা প্রদান। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করছেন। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী সবার আগে সেই উদ্যোগটি নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষতায় দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। যথাযত দায়িত্ব পালন করতে হবে। দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঠিক কাজটি করতে হবে। মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। একটু ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে। সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলের অংশগ্রহণ জরুরী।

Share This Post