নাব্যতা সংকটের মোংলা বন্দরে ঢুকতে পারছে না দুটি বিদেশি জাহাজ

নাব্যতা সংকটের মোংলা বন্দরে ঢুকতে পারছে না দুটি বিদেশি জাহাজ

আলী আজীম (মোংলা,বাগেরহাট) :

পানামা পতাকাবাহী “এম ভি সি এস ফিউচার” এবং টুভ্যালু পতাকাবহী “এমভি পাইনিয়র” পন্য নিয়ে মোংলা বন্দরের আউটারবারে (বহিঃনোঙ্গর) চারদিন ধরে আটকে আছে। নাব্যতা সংকটের কারণে বিদেশি এ জাহজ দুটি বন্দরে প্রবেশ করতে পারেনি। জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট পার্ক শিপিংয়ের সত্বাধিকারী হুমায়ুন কবির পাটোয়ারি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তারা বলেন আউটারবারে সাড়ে ৯ মিটার জাহাজ প্রবেশে ড্রেজিং করা হলেও তাদের জাহাজ দুটি সাড়ে ৯ মিটারেরও কম। শত শত কোটি টাকা খরচ করে ড্রেজিং করে লাভ হলো কি? আমাদের এখন মোটা অংকের টাকা ডেমারেজ ( আর্থিক ক্ষতি ) দিয়ে লাইটার পাঠিয়ে পণ্য খালাস করতে হবে সেখানে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্য ২৩ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার নিয়ে নয় দশমিক তিন মিটারের পানামা পতাকাবাহী এম ভি সি এস ফিউচার জাহাজ হিরন পয়েন্টের পাইলট ষ্টেশনে নোঙ্গর করে। এরপর ১ অক্টোবর ১১ হাজার মেট্রিক টন সিরামিক পণ্য নিয়ে আসে নয় দশমিক ২৫ মিটার গভীরতার টুভ্যালু পতাকাবাহী আরেক বিদেশি জাহাজ এম ভি পাইনিয়র ড্রিম।

স্থানীয় শিপিং এজেন্ট পার্ক শিপিং এর মালিক হুমায়ন কবির জানান, বন্দর চ্যানেলে প্রবেশ করতে না পারায় বানিজ্যিক জাহাজ থেকে কিছু পন্য খালাস করতে অতিরিক্ত ভাড়া প্রদান করে সোমবার (৪অক্টোবর) সকালে লাইটার( নৌযান) পাঠানো হয়েছে বিদেশী জাহাজের গায়ে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল ও হাইড্রোলিক) ও আউটারবার ড্রেজিংয়ের পিডি (প্রকল্প পরিচালক) মোঃ শওকত আলী বলেন, প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোংলা বন্দর ২০২০ সালের ডিসেম্বর আউটারবারে ড্রেজিং শেষ হয়। এখন সেখানে কিছুটা পলি পড়ে গভীরতা কমে যাওয়ার কারণে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তবে হোপার ড্রেজার দিয়ে সেটি পুনরায় খনন কাজের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

Share This Post