ঢাকা শহরে গণপরিবহনে হিজড়াদের হাতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে পুরুষরা

ঢাকা শহরে  গণপরিবহনে  হিজড়াদের হাতে নির্যাতনের শিকার  হচ্ছে পুরুষরা

এনামুল হাসান নাইম : হিজড়াদের অত্যাচার দেখার কি কেউ নাই?এই করোণা মহামারীর মধ্যেও থেমে নেই  মহাসড়ক কিংবা আঞ্চলিক সড়ক, রাস্তার মোড়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অথবা বাসাবাড়ি- সবখানেই হিজড়াদের টাকা তোলা  ইদানিং ঢাকা শহরে  সাধারণ মানুষ এভাবেই হিজড়াদের দ্বারা নিপীড়িত হয়ে আসছে। ব্রিজমোড় ও বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে এদের বেশি দেখা যায়। ফলে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা এদের দ্বারা সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত হচ্ছে।
বাসস্ট্যান্ডে থামলেই হিজড়ারা বাসে উঠে এবং টাকা দাবি করে। ১০ টাকা চাইলে ১০ টাকাই দিতে হবে; কম নেবে না। এভাবে সাধারণ মানুষের ওপর তারা জুলুম চালায়। মান-সম্মানের ভয়ে সাধারণ মানুষ তাদের টাকা দিতে বাধ্য হয়। ছাত্ররাও এদের হাত থেকে রেহাই পায় না।এমনি একজন ছাত্র নাম তার সোহেল  ঢাকার কাজ শেষ করে বাসে ওঠে বাড়ি ফেরার উদ্দশে । নিয়মিত চাঁদা আদায়ের জন্য বাস হিজরা উঠলো তারা তারা যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা উঠানো শুরু করলো একপর্যায়ে তারা আমার কাছে আসলো এসে আমাকে বলল ১০ টাকা দে,আমি কথা মেনেই পকেটে হাত দিয়ে দেখি ৫ টাকা আছে ।আমি বললাম এটা আপনি নেন।  হিজড়া বললো ১০ টাকা দিতে হবে, আমি বললাম আমার কাছে ১০ টাকা নাই আমি ছাত্র। এ কথা না শুনে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয়া শুরু করল আমি তাদেরকে বললাম আপনি আমার গায়ে কেন হাত দিচ্ছেনহিজড়া বলল গায়ে হাত দিচ্ছি তা কি হচ্ছে  টাকা দেয়। আমি তাদেরকে অনেকবার অনুরোধ করলাম তারপরেও তারা আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বারবার হাত দিচ্ছে। একপর্যায়ে কন্টাকটার কে ডাক দিয়ে তাদেরকে  নামিয়ে দেওয়ার জন্য বললাম ।
পরে তারা আরও আমার উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার শরীরে বিভিন্ন জায়গায় হাত দেওয়া শুরু করে এতে আমি লজ্জায় মুখটা নীচু করে বসে থাকলাম। পরে যাত্রীদের চাপে নেমে যায়। আমার মত প্রতিনিহিত লাঞ্ছিত অপমানিত ও ধর্ষিত হচ্ছে এই হিজড়ার হাতে।
 কেউ আবার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেই চলে অশ্রাব্য গালাগালসহ দুর্ব্যবহার এমন কি উলঙ্গ হয়ে পড়ে। হিজড়াদের এই বেপরোয়া চাঁদাবাজি যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেখা দিয়েছে তাদের বহুরূপী আচরণ। তাদের সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজির কাছে জনগণ জিম্মি হয়ে পড়েছে।দীর্ঘদিন ধরে  দেখা যাচ্ছে,ঢাকার বিভন্ন যায়গায় ৩-৪ জনের কয়েকটি দল সড়কের বিভিন্ন মোড়ে বরযাত্রীর গাড়িকে টার্গেট করে। বরযাত্রীর গাড়ি আটকিয়ে চাঁদার জন্য চিৎকার-চেঁচামেচি, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে।সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সরকার এর কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন, এটাই প্রত্যাশা।

Share This Post