খুলনায় ইউপি মেম্বর ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও সংবাদ প্রচারে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

খুলনায় ইউপি মেম্বর ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও সংবাদ প্রচারে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এম এ আজিম, (খুলনা):
বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় খুলনার রূপসায় প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা ইউপি সদস্য’র স্ত্রীর একাউন্টে শীর্ষক সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই বিষয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন আজ ২৫ আগস্ট বিকেল ৪টায় রূপসা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ৩ নং নৈহাটী ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য শাহ মোঃ রবিউল ইসলাম ফকিরের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার ভাগ্নে র‌্যায়েল আজম। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সম্প্রতি নেহালপুর গ্রামের বাসিন্দা শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ মনিরুল সেখ এর প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাত সংক্রান্তে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, অনলাইন মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ রসালোভাবে সংবাদ প্রচার হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে প্রতিবন্ধী মনিরুলের ভাতার টাকা আমার স্ত্রীর মোবাইল একাউন্টে। প্রকৃতপক্ষে রূপসা উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নেহালপুর এলাকার বাসিন্দা মোঃ আইয়ুব আলী সেখের ছেলে শারিরীক প্রতিবন্ধী মোঃ মনিরুল সেখ গত বছর স্থানীয় সমাজকর্মী লিপিকা রানী দাসের মাধ্যমে সমাজসেবা দপ্তরে আবেদন করেন। সমাজ সেবা দপ্তরে লিপিকা রানী দাস কোন নম্বর দিয়েছেন তা একমাত্র তিনি জানেন। আর পরবর্তী তার দেওয়া মোবাইল নম্বর যদি পরিবর্তন করা হয় তাহলে সমাজ সেবা দপ্তারের কারো না কারো জানার কথা বা কারো না কারো জড়িত থাকার কথা। সমাজ সেবা দপ্তরের সকলে জানে মনিরুলের কার্ডের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন তো দূরের কথা আমি কোনদিন খোঁজ-খবর নিয়েছি কিনা? প্রকৃতপক্ষে আমাকে ও আমার পরিবারকে সামাজিক ভাবে হেয়োপ্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে লিপিকা রানী দাস এবং আমার নির্বাচনী প্রতিপক্ষ সুযোগ সন্ধানী সাবেক ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম বাবু সুকৌশলে এইসব কর্মকান্ড করেছে।
আমাকে এবং আমার পরিবারকে ফাঁসাতে লিপিকা রানী দাসের এসব কর্মকান্ড করার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। সে মহিলা নেত্রী হিসেবে বিভিন্ন সময় সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে আমার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলো। এমনকি আমার স্ত্রীর মোবাইল ৪ মাস আগে হারিয়ে যাওয়ার প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন মাস পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদে নানা বিষয় নিয়ে এই লিপিকা রানী দাসের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর থেকে আমাদের বাড়িতে তার অবাধ বিচরণ বন্ধ হয়ে যায়। তিনি বলেন-সম্প্রতি আমার স্ত্রীর হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের সিমে প্রতিবন্ধীর টাকা আসার বিষয়টি জানার পর ২২ আগস্ট সিমটি উত্তোলন করে জানতে পারি ১০ জুন বিকেল ৫টা ১৬ মিনিটে টাকা ঢোকে এবং একই দিন ৬টা ১৬ মিনিটে সাড়ে ৪ হাজার টাকা নৈহাটী কালিবাড়ি বাজারের বিকাশ এজেন্ট ইসলাম ফকিরের দোকান থেকে উত্তোলন করা হয়। এখনো ওই নম্বরে আরো ২ হাজার ২৫০ টাকা রয়েছে। তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

Share This Post