কুয়েতের কারাগারে চার বাংলাদেশী

কুয়েতের কারাগারে  চার বাংলাদেশী

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : কুয়েতের কারাগারে ৪(চার) বাংলাদেশী নাগরিক কারাবন্দি রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কুয়েতে অবস্থানরত মোর্শেদ আলম(৩৭) নামে অপর এক বাংলাদেশী নাগরিক  (পাসপোর্ট নম্বর EG 0704288) অপরহরণ মামলা করলে কুয়েত পুলিশ তাদের আটক করে। (কুয়েতের আল ফারুয়ানিয়া জেলায় ৪৪ নম্বর জিলিব আল শুয়ূূখ থানায় ফৌজদারী মামলা নং-৮৬৫/২০২২, তারিখ : ১০/৩/২০২২খ্রি.।)

সূত্র জানায়, বাংলাদেশী নাগরিক মোর্শেদ আলম কুয়েতে শ্রমিকের (লেবার) কাজ করতেন। সেখানে তার সাথে বাংলাদেশী অন্যান্য নাগরিকরাও শ্রমিকের কাজ করে। শ্রমিকের কাজের পাশাপাশি মোর্শেদ আলম অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার জড়িত ছিলেন। মোর্শেদ আলম তার পরিচিত বাংলাদেশী নাগরিকদের হুন্ডির মাধ্যমে অবৈধভাবে বাংলাদেশে টাকা আদান প্রদান করতেন। এর মধ্যে মোর্শেদ আলমকে অন্যান্য শ্রমিকরা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর জন্য দিলে; মোর্শেদ আলম সে টাকা না পাঠিয়ে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোর্শেদ আলমের সাথে ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়। এক পর্যায়ে বাংলাদেশী অন্য শ্রমিকরা টাকা আদান প্রদানকে কেন্দ্র করে মোর্শেদের উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং মোর্শেদ আলমকে মারধর করে করে বিল্ডিংয়ের ছাদে নিয়ে যায়। সেখান থেকে মোর্শেদ আলম-কে ফেলে দেয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। দূর্ঘটনার পর মোর্শেদ আলম বিল্ডিংয়ের নিচে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকে এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে আশেপাশের লোকজন মোর্শেদ আলমকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। মোর্শেদ আলম হাসপাতালে একটু সুস্থ হওয়ার তার উপর হামলা কারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবী জানিয়ে কুয়েতের জিলিব থানায় অপহরন মামলা করেন। মামলার আসামীর হলো বাংলাদেশী নাগরিকর (১) মামুন খান (বয়স-১৮), পিতা-শাহজাহান খাঁন, (২) দিলদার হোসেন (বয়স-৩১), পিতা- জয়নাল আবদিন, (৩) আজিজুল হক (বয়স-৩০), পিতা- মো: আইয়ুব আলী শেখ, (৪) মাহবুব আলম (বয়স-৪৪), পিতা- আব্দুল হাকিম (৫) রাসেল ভূইয়া (বয়স-২৮), পিতা- কাশেম ভূইয়া। এদের মধ্যে রাসেল ভূইয়া নামের আসামি বর্তমানে কুয়েতে পলাতক রয়েছে। মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামীরা মোর্শেদ আলমকে অপহরণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু চার আসামী মামুন খান, দিলদার হোসেন, আজিজুল হক ও রাসেল ভূইয়া তাকে বিল্ডিংয়ের চাঁদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। মোর্শেদ আলম মোবাইলে এ প্রেিতবদকে জানায় আমার উপর হামলাকারীরা একটা সন্ত্রাসী চক্র। এরা আমাকে টাকার জন্য অপহরণ করতে চেয়েছিল। এ সময় তাকে অপরণ  করতে না পেরে তাকে বিল্ডিংয়ের চাঁদ থেকে ফেলে দেয়। তিনি এ ঘটনার সুবিচার আশা করেন।

Share This Post
eskişehir escort - escort adana - bursa escort - escort izmit - escorteskişehir escort - escort adana - bursa escort - escort izmit - escort