কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয় দিনে রাজধানীর সড়কের বিভিন্ন চেকপোস্টে যানবাহনের চাপ বেড়েছে

কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয় দিনে রাজধানীর সড়কের বিভিন্ন চেকপোস্টে যানবাহনের চাপ বেড়েছে

কঠোর বিধিনিষেধের আগের দুইদিনের তুলনায় আজ রাস্তায় ব্যক্তিগত যানবাহন ও রিকশা চলাচল বেড়েছে। গত দুই দিনের তুলনায় সড়কে রিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো।প্রয়োজনীয় কাজে অনেকে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার নিয়ে বের হয়েছেন। গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। তবে অন্য দুইদিনের তুলনায় আজ রাস্তায় ব্যক্তিগত যানবাহন উপস্থিতি বেড়েছে। এছাড়াও জনসাধারণ রিকশায় করে প্রয়োজনীয় কাজে গন্তব্যে যাচ্ছেন।দেশব্যাপী কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয় দিনে রাজধানীর সড়কের বিভিন্ন চেকপোস্টে যানবাহনের চাপ বেড়েছে।চিকিৎসা ও হাসপাতালে রোগী নিয়ে যেতে ও টিকা নেওয়ার জন্য অনেকে বের হয়েছেন। বেশিরভাগ মানুষই প্রয়োজনীয় কাজে বের হয়েছেন। ঘর থেকে বের হওয়া মানুষেরা জরুরি প্রয়োজন ও নানা ধরনের অজুহাত দেখাচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। অনেক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় সেসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও অফিসে যেতে দেখা গেছে।তবে যারা বিনাকারণে বের হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে চেকপোস্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সরব উপস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে। জনসাধারণের বাইরে বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সঠিক কারণ মিললে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আর বিনাকারণে বের হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং লেনদেন করতে অনেকে বের হয়েছেন।ঈদের ছুটি শেষে আজ রবিবার গ্রাহক চাহিদামতো ব্যাংকের শাখা খোলা থাকবে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে। লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম বিকাল ৩টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার কথা বলা হলেও বেশ কিছু অফিস খোলা রয়েছে।তবে সড়কে স্টাফ বাস এবং ব্যক্তিগত গাড়ি দুটোই দেখা গেছে। সে ক্ষেত্রে কেউ ব্যক্তিগত গাড়িতে বা অন্যের গাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি রাস্তায় নামবে না। প্রয়োজনে অফিস তার কর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করবে।

সরকারের দেওয়া প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জরুরি পরিষেবা ব্যতীত সব দোকানপাট বন্ধ রাখার কথা। কিন্তু দেখা গেছে খুলছে অন্যান্য দোকানও। কখনো দোকানের শাটার অর্ধেক খুলে আবার কোনো কোনো জায়গায় পুরোপুরি দোকান খুলে চলছে বেচাকেনা। বিধি-নিষেধের তোয়াক্কা না করে অবাধে চলাফেরা করছে মানুষজন। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে যে যার মতো সরে পড়ছেন।

মাগুরায় ‘কঠোর লকডাউন’ অমান্য করে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জেলার বিভিন্ন রুটে তিনচাকা ও প্রাইভেট মাক্রেবাস যাত্রীবাহী যান চলাচল করেছে অহরহ। ‘কঠোর লকডাউনে’ গাড়ি পড়ে থাকলে ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এই ভোরে দুই একটা ট্রিপ নিয়ে ফরিদপুর, মধুখালী, কামারখালী, ওয়াবপদা যাই। এতে কিছু আয় হয় আমার গাড়িটাও ভালো থাকে। কি করবো গাড়ি না চালালি সংসার চালাব কিভাবে। তারপর রয়েছে এনজিও কিস্তি। আমরাও বুঝি করোনা ভাইরাসে সরকার ঘোষিত ‘লকডাউন’ মেনে চলতে হবে। কিন্তু পেট তো মানে না।

Share This Post