এআর টেকনোলজির মাধ্যমে গ্রাহকরা ঘরে বসে ডিজিটালভাবে আসবাব ট্রায়াল করতে সক্ষম হবে

এআর টেকনোলজির মাধ্যমে গ্রাহকরা ঘরে বসে ডিজিটালভাবে আসবাব ট্রায়াল করতে সক্ষম হবে

ফার্নিচার শিল্পে অগমেন্টেড রিয়েলিটি’র (এআর) ব্যবহার নিঃসন্দেহে একটি বিপ্লবী সূচনা। বাংলাদেশের ফার্নিচার ক্রেতারা এখনও এই প্রযুক্তির সাথে সেভাবে পরিচিত হননি। প্রথমবারের মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় ফার্নিচার ব্র্যান্ড ইশো এই অভিনব অগমেন্টেড রিয়েলিটি’র (এআর) প্রযুক্তির সাথে গ্রাহকদের পরিচিত করতে যাচ্ছে।
ইশো তাদের যাত্রার শুরু থেকেই ফার্নিচার শিল্পে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে। এখন এআর-এর সাহায্যে, ইশো শীঘ্রই স্থানীয় শিল্পে বিপুল পরিবর্তন এবং নতুন আঙ্গিকে গ্রাহকের অনলাইনে আসবাবপত্র কেনার ব্যবস্থা করে দিবে।
এআর টেকনোলজির মাধ্যমে বাস্তব পটভূমিতে অ্যানিমেটেড অবজেক্টগুলো বসিয়ে দেখা সম্ভব হয়। স্মার্ট ডিভাইসে ইশো’র এআর টেকনোলজির মাধ্যমে গ্রাহকরা আসবাবের প্রতিটি অংশের বাস্তবিক থ্রিডি মডেল দেখতে পারবেন। ফলে নির্দিষ্ট আসবাবটি গ্রাহকদের ঘরের নির্ধারিত স্থানে রাখলে সুন্দর দেখাবে কিনা সেটি বিচার করতে পারবেন। মূলত এটি ‘ট্রায়াল অ্যান্ড ভিউ’-এর একটি ডিজিটাল মাধ্যম। এআর টেকনোলজি গ্রাহককে পণ্য ক্রয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
এই যুগান্তকারী টুলটির মাধ্যমে গ্রাহকরা আসবাবপত্র ক্রয় সম্পর্কে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। পাশাপাশি ফিজিক্যাল এবং ডিজিটাল স্পেসে ইশো’র নিরবিচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা প্রদানের যে প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করবে।
ইশো’র এআর টেকনোলজির অভিজ্ঞতা নিতে আপনার ফোন থেকে লগইন করুন www.isho.com এরপর এআর এনাবেল্ড  যে কোনো পণ্যে ক্লিক করুন। এই ফিচারটি গুগলের এআর-কোর সাপোর্টেড যেকোনো স্মার্টফোন ব্র্যান্ডে দেখা যাবে।
ইশো’র প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়ানা হোসেন বলেন, “দেশের আসবাব শিল্পে নতুন এই এআর টেকনোলজির অবশ্যই গেম-চেঞ্জার হবে। আমরা ধীরে ধীরে আমাদের পণ্যগুলিকে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি-সচেতন ক্রেতাদের পাশাপাশি সম্পূর্ণ নতুন প্রজন্মের ক্রেতাদের কাছেও আরও অ্যাক্সেসযোগ্য করে তুলব।”  

Share This Post