ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে

ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে

প্রতারণা করে গ্রাহকের ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ই-অরেঞ্জের সাবেক চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) নাজমুল আলম রাসেলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

গত ২৯ আগস্ট তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেই রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে রাখার আবেদন করেন।

আসামিপক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত নাজমুল আলম রাসেলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে আগামী রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।

বৃহস্পতিবার এ মামলার তিন আসামি ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান এবং চিফ অপারেটিং অফিসার আমান উল্যাহকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত ১৭ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন ই-অরেঞ্জের প্রতারণার শিকার মো. তাহেরুল ইসলাম নামের এক গ্রাহক। এ সময় প্রতারণার শিকার আরও ৩৭ জন উপস্থিত থেকে তার সঙ্গে সাক্ষ্য দেন।

মামলায় তাহেরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, গত ২১ এপ্রিল পণ্য কেনার জন্য ই-অরেঞ্জে অগ্রিম টাকা দেন। তবে, ই-অরেঞ্জ নির্ধারিত তারিখে পণ্য সরবরাহ করেনি, টাকাও ফেরত দেয়নি। এ সময় নিজেদের ফেসবুক পেজে বার বার নোটিশ দিয়ে তারা সময় চেয়েছে। কিন্তু পণ্য বা টাকা দেয়নি। সবশেষ তারা গুলশান-১ এর ১৩৬/১৩৭ নম্বর রোডের ৫/এ নম্বর ভবনে অবস্থিত অফিস থেকে পণ্য ডেলিভারির কথা বললেও ডেলিভারি দেয়নি। এছাড়া তারা যে বিভিন্ন আউটলেটের গিফট ভাউচার বিক্রি করেছিল, সেগুলোর টাকা আটকে রাখায় আউটলেটগুলো ভাউচারের বিপরীতে পণ্য দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, এ করোনাকালীন সময় আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ পাচ্ছি না বরং প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছি। এছাড়া আজ পর্যন্ত তারা ভুক্তভোগীদের কোনো পণ্য ডেলিভারি না করে এক লাখ ভুক্তভোগীর প্রায় ১১০০ কোটি টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেছে।

Share This Post