আদ্দিস আবাবায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জন্য প্রার্থনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন

আদ্দিস আবাবায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জন্য প্রার্থনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন

আজ ১৫ আগস্ট ২০২১ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬-তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস, আদ্দিস আবাবায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির অতিথিবৃন্দ সপরিবারে অংশগ্রহণ করেন। দূতাবাসের উদ্যোগে শোক দিবস উপলক্ষে সকালে অত্র দূতাবাসের পক্ষ থেকে আদ্দিস আবাবায় একটি ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন, রেহেল এবং মাইক্রোফোন ও স্পীকার বিতরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীবৃন্দ ও দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করেন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ১৫ আগস্টের শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে দূতাবাসে শোক দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ এবং দোয়ার মাধ্যমে সূচিত অনুষ্ঠানে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু, তাঁর পরিবারবর্গ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের সকল শহিদদের রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত পৃথক পৃথক বাণী পাঠ করে শোনানো হয় ও বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও কর্মের উপরে দু‘টি প্রামাণ্যচিত্র (ভিডিও) প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে ইথিওপিয়া ও অন্যদেশের বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অত্র দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত সর্বপ্রথম প্রতিকূল কভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলা করে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ও দূতাবাসের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন যে, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু হলেও তার মূল্যবোধ, নীতি ও আদর্শ আরও শক্তিশালী হয়েছে। তার আদর্শ প্রোথিত রয়েছে বাংলার জনগণের হৃদয়ে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না যদিও আজকে বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের নয়, সমগ্র বিশে^র। তিনি প্রবাসীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সূচিত উন্নয়নের ধারায় সকলকে সম্পৃক্ত হতে আহবান জানান এবং বলেন যে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদশর্ন করা হবে। 

Share This Post