আইওটি-রোবটিক্স ডিভাইস প্রয়োগ যুগের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

আইওটি-রোবটিক্স ডিভাইস প্রয়োগ যুগের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ :  ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন দৃশ্যমান। এরই ধারাবাহিকতায় রূপান্তরিত হবে ডিজিটাল ডিভাইস। এআই, আইওটি, রোবটিক্স, ব্লকচেইন ডিভাইস প্রয়োগ যুগের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের ব্যাকবোন হিসেবে ডিজিটাল সংযোগ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা আমরা করেছি। অনেক উন্নত দেশও আমাদের সমপর্যায়ে আসতে পারবে না। এর ফলে প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা আমরা অর্জন করতে পারবো।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড কম্পিউটার সমিতি (ইসিএস) আয়োজিত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবসার সংকট ও করণীয় শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তুহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দোকান মালিক সমিতির সভাপতি তৌফিক এহসান, বিসিএস সভাপতি শাহিদ-উল-মুনীর, ইসিএস নেতা মুজাহিদ আল বেরুনী, গ্লোবাল টেকনোলজির পরিচালক জসিম উদ্দিন, কম্পিউটার সোর্স লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী আসাব উল্লাহ খান জুয়েল এবং মতিঝিল কম্পিউটার সোস্যাইটির নেতা খন্দকার হক লুটনসহ ঢাকার মিরপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা ও যশোর শাখার বিসিএস শাখার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

বৈশ্বিক অতিমারি করোনার কারণে ব্যবসা, শিল্পসহ প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জিং সময় যাচ্ছে বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ছোট-বড়-মাঝারি ব্যবসায়ীসহ দিন মজুর নিম্ন আয়, মধ্যম আয়ের মানুষসহ সকলেই করোনার কারণে সংকটে আছেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য কম্পিউটার, রাউটারসহ ডিজিটার ডিভাইসের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।

করোনা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স এ বিষয়গুলো তুলে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বিএসএস এর চার বারের সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, সামগ্রিকভাবে সকলের স্বার্থ রক্ষায় এবং সমস্যা সমাধানের জন্য ট্রেডবডির ভূমিকা অপরিসীম। ট্রেডবডির যথাযথ ভূমিকা গ্রহণের মাধ্যমে জরুরি সেবার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবা অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। ট্রেডবডির প্রতিনিধিরা যখন কথা বলবেন সে ক্ষেত্রে সকলের অভিন্ন স্বার্থ নিয়ে কথা বলতে হবে।

বাংলাদেশের আইটি ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সবচেয়ে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ও সহানুভূতিশীল উল্লেখ করে বলেন, ১৯৯৮-৯৯ সালে তিনি কম্পিউটারের ওপর থেকে ২১০ কোটি টাকার কর মওকুফ করেছিলেন। এর ফলে কম্পিউটার সাধারণের নাগালে পৌঁছুতে পেরেছে। তারই গতিশীল নেতৃত্বে সফটওয়্যারখাত, টেলিকমখাত, ডিজিটাল সেবা এবং ইন্টারনেট সার্ভিসের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ঘটনা ঘটেছে।

Share This Post