ভাস্কর্য ভাঙচুরকারীদের পাক হানাদারদের মতো পরাজিত করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

ভাস্কর্য ভাঙচুরকারীদের পাক হানাদারদের মতো পরাজিত করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আজকে যারা বাংলাদেশকে আবার আফগানিস্তান বানাতে চায়, তালেবানী রাষ্ট্র বানাতে চায়, পাকিস্তানী ৪৭ ধারায় নিয়ে যেতে চায়, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়। তাদের বলতে চাই- মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে যেমন ধ্বংস করা যাবে না। ৭১ সালে ৯ মাস যুদ্ধ করে পাকিস্তানীদের পরাজিত করেছি। তারা রেডকোর্স ময়দানে মুক্তিবাহিনীর পায়ের কাছে অস্ত্র জমা রেখেছে। এই ভাস্কর্যকে যদি কেউ ভাঙে ঠিক ৭১ এর মতো তাদের যে ভাবে মোকাবেলা করেছি-ইনশাআল্লাহ আবার তাদেরকে পরাজিত করে আমাদের পায়ের নিচে তাদের ক্ষমা চাইতে হবে।

তিনি শুক্রবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ভাস্কর্য একটি শৈল্পিক দিক। যারা মহামানব তাদের স্বরণে রাখার জন্য এবং আগামী প্রজন্ম যাতে তাদের দেখে উদ্ধুদ্ব হয় সেজন্যই এই ভাস্কর্য। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য তাকে স্বরণে রাখার জন্যই।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ভাস্কর্য ও মূর্তি এক নয়। ভাস্কর্যের একটা নান্দনিক দিক রয়েছে, এটি একটি শৈল্পিক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে করে তার আদর্শ ও চেতনাকে এ দেশের ভবিষ্যত বা আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়।

টাঙ্গাইল পাকহানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে পাকহানাদার মুক্ত দিবসের আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, তানভীর হাসান ছোটমনির এমপি, টাঙ্গাইল পাকহাদারমুক্ত দিবস উদযাপক কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন তালুকদার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১১ই ডিসেম্বর টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বরে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে টাঙ্গাইলকে মুক্ত করে। ১১ ডিসেম্বর সকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বিরাট বাহিনী নিয়ে টাঙ্গাইল পুরোনো শহরে প্রবেশ করেন এবং থানা চত্বরে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

Ahsan Khan

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *